ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতি, আটক ৫

  • আপডেট সময়: ১১:১৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত হওয়া ওই পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

আটকরা হলেন, সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের মমিনুল ইসলাম মোমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের রায়হান হোসেন ও চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের শান্ত মিয়া।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, জন প্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষা পাশের চুক্তিতে তারা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিল।

পুলিশ জানায়, শেরপুর জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদ অনুসারে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ অন্যান্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা ছিল শনিবার বেলা ১১টায়। পরীক্ষা শুরুর পর পাঁচজন পরীক্ষার্থীর কাছে অভিনব কায়দায় শার্টের নিচে গেঞ্জির ভেতরে ডিজিটাল ডিভাইস ও কানে লুকানো অবস্থায় ক্ষুদ্র এয়ারফোন উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁঞা (প্রশাসন ও অর্থ) জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পুলিশ নিয়োগের শারীরিক পরীক্ষা পাশের পর তাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ট্রেনিং দেয়। পরবর্তীতে ডিজিটাল ডিভাইস অভিনব কায়দায় তাদের শরীরে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠায়। কারো গেঞ্জির ভেতরে, কারও জুতার ভেতরে অভিনব কায়দায় ডিভাইস লুকানো ছিল। ডিভাইস লুকানোর জন্যই এসব পরিধেয় বস্ত্র বিশেষভাবে বানানো হয়। আমরা পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে কাজ করছি। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আজ রাতে ইরান থেকে জবাব আসতে পারে, জানালেন ট্রাম্প

কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতি, আটক ৫

আপডেট সময়: ১১:১৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত হওয়া ওই পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

আটকরা হলেন, সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের মমিনুল ইসলাম মোমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের রায়হান হোসেন ও চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের শান্ত মিয়া।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, জন প্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষা পাশের চুক্তিতে তারা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিল।

পুলিশ জানায়, শেরপুর জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদ অনুসারে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ অন্যান্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা ছিল শনিবার বেলা ১১টায়। পরীক্ষা শুরুর পর পাঁচজন পরীক্ষার্থীর কাছে অভিনব কায়দায় শার্টের নিচে গেঞ্জির ভেতরে ডিজিটাল ডিভাইস ও কানে লুকানো অবস্থায় ক্ষুদ্র এয়ারফোন উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁঞা (প্রশাসন ও অর্থ) জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পুলিশ নিয়োগের শারীরিক পরীক্ষা পাশের পর তাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ট্রেনিং দেয়। পরবর্তীতে ডিজিটাল ডিভাইস অভিনব কায়দায় তাদের শরীরে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠায়। কারো গেঞ্জির ভেতরে, কারও জুতার ভেতরে অভিনব কায়দায় ডিভাইস লুকানো ছিল। ডিভাইস লুকানোর জন্যই এসব পরিধেয় বস্ত্র বিশেষভাবে বানানো হয়। আমরা পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে কাজ করছি। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।