লোকসমাচার ডেস্ক:আইনজীবীদের জন্য মোট মামলার অন্তত ১০ শতাংশ বিনামূল্যে পরিচালনা বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে সরকার আইন প্রণয়নের কথা বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, নিম্ন আদালতে বিচারাধীন ৪০ লাখের বেশি মামলার জট কমাতে হলে বিনামূল্যে আইনি সহায়তার বিষয়টিকে আরও বেশি ইফেক্টিভ করতে হবে। কারণ, মেডিকেল সায়েন্সে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ ইজ বেটার দেন কিওর। ৪০ লাখের বেশি বিচারাধীন মামলা কমিয়ে আনতে হবে। লিগ্যাল এইড ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালতে মামলা করার প্রবণতা বন্ধ করতে পারলে, সেটা হবে প্রিভেন্টিভ ম্যাটার।
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই লিগ্যাল এইডের এ কর্মসূচি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাক। আমরা চাই মানুষ তার ন্যায়বিচার ফিরে পাক।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ থেকে বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকা ট্যাক্স আদায় হয়, কিন্তু বিচার বিভাগের জন্য বাজেট মাত্র ২২শ কোটি টাকা। এটি বিটিভির চেয়েও কম। এটা দেশের বিচার বিভাগের দৈন্যতাকে প্রকাশ করে। বিচার বিভাগের বাজেট বাড়ানো দরকার।
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। অন্যদের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঞ্জুরুল হোসেন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি প্রমুখ।


























