ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের নির্বাচনে ৫০ বছরের রেকর্ড, ভোটার উপস্থিতি ৫৫.৭ শতাংশ

  • আপডেট সময়: ০৪:১২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমচার ডেস্ক:ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে গত ৫০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেশটির সেন্ট্রাল ইলেকশনস কমিটির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

সেন্ট্রাল ইলেকশনস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ১৯৭৩ সালে ভোটার উপস্থিতির পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ হার। ২০২২ সালের নির্বাচনে একই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

কমিটির হিসাবে, দেশটিতে মোট ভোটার প্রায় ৭৩ লাখ। এর মধ্যে ওই সময় পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৪০ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫ জন। স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা।

ছোট দলগুলোর জন্য বাড়তি চাপ
ভোটার উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনে অংশ নেওয়া ছোট দলগুলোর সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। দেশটির নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব পেতে একটি দলকে মোট ভোটের অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্জন করতে হয়। ভোটের সংখ্যা বাড়লে এ সীমা অতিক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটও বেড়ে যায়।

আরব ভোটারদের অংশগ্রহণে নজর
এবারের নির্বাচনে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ ২০২২ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই নির্বাচনে আরব সম্প্রদায়ের ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫০ শতাংশের সামান্য বেশি। তবে এবারের নির্বাচনে তা ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন জনমত জরিপ পরিচালনাকারীরা।

নির্বাচনে এই ভোটারদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট—কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে আরব-প্রধান দুটি দল—মানসুর আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ‘রাম’ এবং ইউসেফ জাবারিনের নেতৃত্বাধীন ‘জয়েন্ট লিস্ট’—নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রধান দলগুলো সরাসরি জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে।

ভোটার উপস্থিতির এই রেকর্ড শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলাফল ও সরকার গঠনের সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

হারতে চলেছেন নেতানিয়াহু, বড় বিপর্যয়ের আভাস

ইসরায়েলের নির্বাচনে ৫০ বছরের রেকর্ড, ভোটার উপস্থিতি ৫৫.৭ শতাংশ

আপডেট সময়: ০৪:১২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমচার ডেস্ক:ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে গত ৫০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেশটির সেন্ট্রাল ইলেকশনস কমিটির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

সেন্ট্রাল ইলেকশনস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ১৯৭৩ সালে ভোটার উপস্থিতির পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ হার। ২০২২ সালের নির্বাচনে একই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

কমিটির হিসাবে, দেশটিতে মোট ভোটার প্রায় ৭৩ লাখ। এর মধ্যে ওই সময় পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৪০ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫ জন। স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা।

ছোট দলগুলোর জন্য বাড়তি চাপ
ভোটার উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনে অংশ নেওয়া ছোট দলগুলোর সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। দেশটির নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব পেতে একটি দলকে মোট ভোটের অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্জন করতে হয়। ভোটের সংখ্যা বাড়লে এ সীমা অতিক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটও বেড়ে যায়।

আরব ভোটারদের অংশগ্রহণে নজর
এবারের নির্বাচনে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ ২০২২ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই নির্বাচনে আরব সম্প্রদায়ের ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫০ শতাংশের সামান্য বেশি। তবে এবারের নির্বাচনে তা ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন জনমত জরিপ পরিচালনাকারীরা।

নির্বাচনে এই ভোটারদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট—কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে আরব-প্রধান দুটি দল—মানসুর আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ‘রাম’ এবং ইউসেফ জাবারিনের নেতৃত্বাধীন ‘জয়েন্ট লিস্ট’—নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রধান দলগুলো সরাসরি জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে।

ভোটার উপস্থিতির এই রেকর্ড শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলাফল ও সরকার গঠনের সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।