ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

  • আপডেট সময়: ১১:২৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দুর্নীতির অনুসন্ধান চলমান থাকায় স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৮৩টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ পাওয়া অন্যরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও মনিরুল ইসলামের স্ত্রী সায়লা ফারজানা, মনিরুলের শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন এবং শ্যালকের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পা।

এদিন, দুদকের পক্ষে উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মোজাম্মিল হোসেন এসব আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মনিরুল ইসলামের নামে ১১টি হিসাবে ৭৮ লাখ ৬০ হাজার ৭২৮ টাকা এবং ৩ হাজার ৯৭৮ ব্রিটিশ পাউন্ড, সায়লা ফারজানার ৫টি হিসাবে ৮ লাখ ২ হাজার ৬৭০ টাকা, শাহীনের নামে ৪০টি হিসাবে ১০ কোটি ৬০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৮২ টাকা এবং টুম্পার নামে ২৭টি হিসাবে ৮ কোটি ২২ লাখ ৫১ টাকা রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ২৫ কোটি টাকা লোপাট, জঙ্গিবাদের তকমা দিয়ে কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ ও শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল নামক এনজিওর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভিন্ন দুর্নীতি মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে আছেন বলে তথা পাওয়া গেছে। তারা ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের নামে অসংখ্য ব‍্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। এই অর্থ তারা উত্তোলনের করে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। এসব সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ রয়েছে। এ অবস্থায় তাদের এসব ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আবেদনে বলা হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

আপডেট সময়: ১১:২৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দুর্নীতির অনুসন্ধান চলমান থাকায় স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৮৩টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ পাওয়া অন্যরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও মনিরুল ইসলামের স্ত্রী সায়লা ফারজানা, মনিরুলের শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন এবং শ্যালকের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পা।

এদিন, দুদকের পক্ষে উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মোজাম্মিল হোসেন এসব আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মনিরুল ইসলামের নামে ১১টি হিসাবে ৭৮ লাখ ৬০ হাজার ৭২৮ টাকা এবং ৩ হাজার ৯৭৮ ব্রিটিশ পাউন্ড, সায়লা ফারজানার ৫টি হিসাবে ৮ লাখ ২ হাজার ৬৭০ টাকা, শাহীনের নামে ৪০টি হিসাবে ১০ কোটি ৬০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৮২ টাকা এবং টুম্পার নামে ২৭টি হিসাবে ৮ কোটি ২২ লাখ ৫১ টাকা রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ২৫ কোটি টাকা লোপাট, জঙ্গিবাদের তকমা দিয়ে কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ ও শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল নামক এনজিওর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভিন্ন দুর্নীতি মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে আছেন বলে তথা পাওয়া গেছে। তারা ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের নামে অসংখ্য ব‍্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। এই অর্থ তারা উত্তোলনের করে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। এসব সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ রয়েছে। এ অবস্থায় তাদের এসব ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আবেদনে বলা হয়।