ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিজার্ভ বেড়ে ৩০.৮৯ বিলিয়ন ডলার

  • আপডেট সময়: ১০:১৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে এ অঙ্ক দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। তখন বিপিএম-৬ পদ্ধতির হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩০ কোটি ডলারসেপ্টেম্বরের ১৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩০ কোটি ডলার
গত সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) পাওনা ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করায় রিজার্ভ নেমে গিয়েছিল ৩০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে। তখন বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্ব মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকা প্রয়োজন। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এখন প্রায় সীমান্তরেখা অতিক্রম করে কিছুটা ভালো অবস্থায় আছে। প্রবাসী আয়, রপ্তানি আয়, বৈদেশিক ঋণ ও বিনিয়োগ থেকে আসা ডলারই মূলত রিজার্ভ গড়ে তোলে। অন্যদিকে, আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ, বিদেশি কর্মীদের পারিশ্রমিক, শিক্ষা ও ভ্রমণ খরচসহ নানা খাতে ডলার ব্যয় হওয়ায় রিজার্ভ হ্রাস পায়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আইজিপিকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন

রিজার্ভ বেড়ে ৩০.৮৯ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময়: ১০:১৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে এ অঙ্ক দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। তখন বিপিএম-৬ পদ্ধতির হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩০ কোটি ডলারসেপ্টেম্বরের ১৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩০ কোটি ডলার
গত সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) পাওনা ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করায় রিজার্ভ নেমে গিয়েছিল ৩০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে। তখন বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্ব মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকা প্রয়োজন। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এখন প্রায় সীমান্তরেখা অতিক্রম করে কিছুটা ভালো অবস্থায় আছে। প্রবাসী আয়, রপ্তানি আয়, বৈদেশিক ঋণ ও বিনিয়োগ থেকে আসা ডলারই মূলত রিজার্ভ গড়ে তোলে। অন্যদিকে, আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ, বিদেশি কর্মীদের পারিশ্রমিক, শিক্ষা ও ভ্রমণ খরচসহ নানা খাতে ডলার ব্যয় হওয়ায় রিজার্ভ হ্রাস পায়।