ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলায় এক মাস ধরে পানির সংকট, দুর্ভোগে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পাইপলাইনে পানি সরবরাহ বন্ধ, নিয়মিত বিল দিয়েও মিলছে না সেবা; রান্না, গোসল ও গৃহস্থালির কাজে চরম ভোগান্তি

  • আপডেট সময়: ০৮:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ জন দেখেছে
Spread the love

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক মাস ধরে পাইপলাইনে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার বাসিন্দা। নিয়মিত পানির বিল পরিশোধ করেও প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। খাবার পানি সংগ্রহ থেকে শুরু করে রান্না, গোসল ও গৃহস্থালির কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, আগে পৌরসভার সরবরাহ করা পানি দিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো গেলেও প্রায় এক মাস ধরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। দিনে দুই বেলা মিলিয়েও এক বালতি পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক বাড়িতে নিজস্ব পুকুর বা বিকল্প পানির উৎস না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। আশপাশের পুকুরগুলোর পানিও ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারছেন না অনেকে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীলতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পানির সংকট আরও প্রকট হয়েছে। পানি সংগ্রহের জন্য বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো বেশি চাপে পড়েছে। পানির অভাবে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, সংকট সমাধানে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর প্রতিকার মেলেনি। নিয়মিত বিল দিয়েও প্রয়োজনীয় পানি না পাওয়ায় তাঁরা ক্ষুব্ধ। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে বিশেষ করে শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

এলাকাবাসী দ্রুত পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। প্রয়োজনে জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থায় পানি সরবরাহ এবং পাইপলাইনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা চিহ্নিত করে মেরামতের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

তবে এক মাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণ এবং সংকট নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যুবদল থেকে বহিষ্কার এমপিপুত্র মিন্টু, প্রত্যাহার ওসি

মোংলায় এক মাস ধরে পানির সংকট, দুর্ভোগে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পাইপলাইনে পানি সরবরাহ বন্ধ, নিয়মিত বিল দিয়েও মিলছে না সেবা; রান্না, গোসল ও গৃহস্থালির কাজে চরম ভোগান্তি

আপডেট সময়: ০৮:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক মাস ধরে পাইপলাইনে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার বাসিন্দা। নিয়মিত পানির বিল পরিশোধ করেও প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। খাবার পানি সংগ্রহ থেকে শুরু করে রান্না, গোসল ও গৃহস্থালির কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, আগে পৌরসভার সরবরাহ করা পানি দিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো গেলেও প্রায় এক মাস ধরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। দিনে দুই বেলা মিলিয়েও এক বালতি পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক বাড়িতে নিজস্ব পুকুর বা বিকল্প পানির উৎস না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। আশপাশের পুকুরগুলোর পানিও ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারছেন না অনেকে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীলতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পানির সংকট আরও প্রকট হয়েছে। পানি সংগ্রহের জন্য বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো বেশি চাপে পড়েছে। পানির অভাবে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, সংকট সমাধানে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর প্রতিকার মেলেনি। নিয়মিত বিল দিয়েও প্রয়োজনীয় পানি না পাওয়ায় তাঁরা ক্ষুব্ধ। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে বিশেষ করে শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

এলাকাবাসী দ্রুত পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। প্রয়োজনে জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থায় পানি সরবরাহ এবং পাইপলাইনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা চিহ্নিত করে মেরামতের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

তবে এক মাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণ এবং সংকট নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।