ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়েতে ‘মাংস কম দেওয়ায়’ সংঘর্ষে প্রাণ গেল বরের বাবার

  • আপডেট সময়: ০৭:২৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩
  • ১৬১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বগুলাগাড়ী এরশাদের বাজার এলাকায় বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়ার অভিযোগে বর ও কনে পক্ষের মারামারিতে বরের বাবা নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার ভোররাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া (৫২) রংপুরের হাজীরহাট উত্তম বাওয়াই পাড়ার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় জলঢাকা পুলিশ কনের বাবা ও তার প্রতিবেশী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরের সঙ্গে ১২০ জন আসার কথা থাকলেও ২৫০ জনেরও বেশি আসায় কনের পরিবার বিপাকে পড়ে।

খাবার পরিবেশনের এক পর্যায়ে বরযাত্রীর কয়েকজন কম মাংস পাওয়ার অভিযোগ তুললে কনের পরিবার জানায়, এত মানুষের খাবারের আয়োজন না থাকায় মধ্যরাতে অল্প পরিমাণ মাংস দেওয়া ছাড়া তাদের আর অন্য উপায় নেই।

এ নিয়ে কথা কাটাকাটির পর উভয়পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়। এতে ১০-১২ জন আহত হন।

বরের বাবা নুরু মিয়া মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে ঢলে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবীর বলেন, নিহতের ঘটনায় কনের বাবা আনোয়ারুল্লাহ ও তার প্রতিবেশী বাবলুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

হারতে চলেছেন নেতানিয়াহু, বড় বিপর্যয়ের আভাস

বিয়েতে ‘মাংস কম দেওয়ায়’ সংঘর্ষে প্রাণ গেল বরের বাবার

আপডেট সময়: ০৭:২৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বগুলাগাড়ী এরশাদের বাজার এলাকায় বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়ার অভিযোগে বর ও কনে পক্ষের মারামারিতে বরের বাবা নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার ভোররাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া (৫২) রংপুরের হাজীরহাট উত্তম বাওয়াই পাড়ার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় জলঢাকা পুলিশ কনের বাবা ও তার প্রতিবেশী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরের সঙ্গে ১২০ জন আসার কথা থাকলেও ২৫০ জনেরও বেশি আসায় কনের পরিবার বিপাকে পড়ে।

খাবার পরিবেশনের এক পর্যায়ে বরযাত্রীর কয়েকজন কম মাংস পাওয়ার অভিযোগ তুললে কনের পরিবার জানায়, এত মানুষের খাবারের আয়োজন না থাকায় মধ্যরাতে অল্প পরিমাণ মাংস দেওয়া ছাড়া তাদের আর অন্য উপায় নেই।

এ নিয়ে কথা কাটাকাটির পর উভয়পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়। এতে ১০-১২ জন আহত হন।

বরের বাবা নুরু মিয়া মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে ঢলে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবীর বলেন, নিহতের ঘটনায় কনের বাবা আনোয়ারুল্লাহ ও তার প্রতিবেশী বাবলুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।