ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুত্রবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করায় শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেফতার

  • আপডেট সময়: ০৭:২০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২
  • ২০৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার(লালমনিরহাট)জেলা প্রতিনিধি:লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুত্রবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে শ্বশুর-শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকালে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার ভোরে জামালপুর জেলা পুলিশের সহায়তায় জেলা শহর থেকে শ্বশুর আতোয়ার রহমান ও শাশুড়ি হামিদা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আঙ্গুর মিয়া বলেন, বিয়ের পর থেকেই মাহমুদা বেগমকে নানা কারণে নির্যাতন করে আসছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। গত ১৩ জুলাই সন্ধ্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদ তার গায়ে অ্যাসিড ঢেলে দেয়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মাহমুদা বেগমের বাবা আব্দুল মালেক বাদী হয়ে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা করেন। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন তারা।

তিনি আরো বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে জানা যায় জামালপুরে রিকশা চালিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন আতোয়ার রহমান। পরে জামালপুর জেলা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বাসায় গিয়ে তার স্ত্রী হামিদা বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

আইজিপিকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন

পুত্রবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করায় শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেফতার

আপডেট সময়: ০৭:২০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার(লালমনিরহাট)জেলা প্রতিনিধি:লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুত্রবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে শ্বশুর-শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকালে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার ভোরে জামালপুর জেলা পুলিশের সহায়তায় জেলা শহর থেকে শ্বশুর আতোয়ার রহমান ও শাশুড়ি হামিদা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আঙ্গুর মিয়া বলেন, বিয়ের পর থেকেই মাহমুদা বেগমকে নানা কারণে নির্যাতন করে আসছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। গত ১৩ জুলাই সন্ধ্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদ তার গায়ে অ্যাসিড ঢেলে দেয়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মাহমুদা বেগমের বাবা আব্দুল মালেক বাদী হয়ে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা করেন। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন তারা।

তিনি আরো বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে জানা যায় জামালপুরে রিকশা চালিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন আতোয়ার রহমান। পরে জামালপুর জেলা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বাসায় গিয়ে তার স্ত্রী হামিদা বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।