ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু বিপর্যয় ঠেকাতে ছোট্ট রাতুলের উদ্যোগ

  • আপডেট সময়: ০৬:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৭৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে পৃথিবী। ছোট্ট রাতুল তা জানে না। রাতুলকে এক দূত এসে সে খবর জানায়। রাতুলকে দেখানো হয়, কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস। তাতেই গরম হচ্ছে পৃথিবীর পরিবেশ। উত্তর মেরুতে গলছে বরফ। ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যে দেশগুলো, তাদের প্রথমেই আছে বাংলাদেশের নাম। রাতুল অবাক হয়! ওর মনে প্রশ্ন জাগে। এর সমাধান কী!

এমনই গল্প নিয়ে থ্রিডি অ্যানিমেটেড ছবি ‘টুমরো’। জলবায়ু নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে ২৫ মিনিটের এই অ্যানিমেশন ছবিটি বানাল দীপ্ত টিভি। নির্মাণ করেছেন মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত হবে সিনেমাটি।

এই থ্রিডি অ্যানিমেটেড সিনেমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দীপ্ত টিভিতে সংবাদ সংম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এখানেই চলচ্চিত্রটি নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ২৩ নভেম্বর ‘টুমরো’ প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় দীপ্ত টিভিতে ফিল্মটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে এবং পরদিন ৩০ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে পুনঃ প্রচারিত হবে।
২৫ মিনিট দীর্ঘ এই অ্যানিমেটেড ফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন কাজী জাহিন হাসান এবং কাজী জিসান হাসান। রচনা করেছেন নাসিমুল হাসান ও আহমেদ খান।

সিনেমায় দেখানো হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশসহ আরও অনেক দেশ। ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে খুব ভয়ংকর। সেই ভয়ংকর ভবিষ্যতকেই রাতুল নামের এক শিশু দেখে ফেলে অতিপ্রাকৃত চরিত্র ‘বাতাসের বুড়ো’র মাধ্যমে। যে রাতুল এত দিন প্রকৃতিকে উপেক্ষা করে গেছে, সেই রাতুলই এবার ভার নেয় পৃথিবীর ভবিষ্যৎ বদলানোর। তার সঙ্গী হয় পৃথিবীজুড়ে থাকা হাজারো শিশু-কিশোর। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে জনমত। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর করারোপসহ আরও এমন কিছু করে রাতুল ও তার সঙ্গীরা যাতে পৃথিবীর এই মহাদুর্যোগ মোকাবিলায় সম্ভব হয়ে ওঠে।

সংবাদ সংম্মেলনে আরও জানানো হয়, অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘টুমরো’র মূল উদ্দেশ্য শিশু-কিশোরদের কাছে জলবায়ু পরিবর্তনের সংকটকে তুলে ধরা। বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো যেন জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর করারোপসহ নবায়নযোগ্য শক্তিতে অধিকতর বিনিয়োগ করে একটি সমাধান করতে পারে, এই ফিল্মটিতে তাই দেখানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ফিল্মটির নির্মাতা-কলাকুশলীরা ছাড়াও দীপ্ত টিভির পরিচালক কাজী জাহিন হাসান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফুয়াদ চৌধুরী, হেড অব নিউজ ইব্রাহীম আজাদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

হারতে চলেছেন নেতানিয়াহু, বড় বিপর্যয়ের আভাস

জলবায়ু বিপর্যয় ঠেকাতে ছোট্ট রাতুলের উদ্যোগ

আপডেট সময়: ০৬:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে পৃথিবী। ছোট্ট রাতুল তা জানে না। রাতুলকে এক দূত এসে সে খবর জানায়। রাতুলকে দেখানো হয়, কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস। তাতেই গরম হচ্ছে পৃথিবীর পরিবেশ। উত্তর মেরুতে গলছে বরফ। ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যে দেশগুলো, তাদের প্রথমেই আছে বাংলাদেশের নাম। রাতুল অবাক হয়! ওর মনে প্রশ্ন জাগে। এর সমাধান কী!

এমনই গল্প নিয়ে থ্রিডি অ্যানিমেটেড ছবি ‘টুমরো’। জলবায়ু নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে ২৫ মিনিটের এই অ্যানিমেশন ছবিটি বানাল দীপ্ত টিভি। নির্মাণ করেছেন মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত হবে সিনেমাটি।

এই থ্রিডি অ্যানিমেটেড সিনেমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দীপ্ত টিভিতে সংবাদ সংম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এখানেই চলচ্চিত্রটি নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ২৩ নভেম্বর ‘টুমরো’ প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় দীপ্ত টিভিতে ফিল্মটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে এবং পরদিন ৩০ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে পুনঃ প্রচারিত হবে।
২৫ মিনিট দীর্ঘ এই অ্যানিমেটেড ফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন কাজী জাহিন হাসান এবং কাজী জিসান হাসান। রচনা করেছেন নাসিমুল হাসান ও আহমেদ খান।

সিনেমায় দেখানো হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশসহ আরও অনেক দেশ। ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে খুব ভয়ংকর। সেই ভয়ংকর ভবিষ্যতকেই রাতুল নামের এক শিশু দেখে ফেলে অতিপ্রাকৃত চরিত্র ‘বাতাসের বুড়ো’র মাধ্যমে। যে রাতুল এত দিন প্রকৃতিকে উপেক্ষা করে গেছে, সেই রাতুলই এবার ভার নেয় পৃথিবীর ভবিষ্যৎ বদলানোর। তার সঙ্গী হয় পৃথিবীজুড়ে থাকা হাজারো শিশু-কিশোর। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে জনমত। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর করারোপসহ আরও এমন কিছু করে রাতুল ও তার সঙ্গীরা যাতে পৃথিবীর এই মহাদুর্যোগ মোকাবিলায় সম্ভব হয়ে ওঠে।

সংবাদ সংম্মেলনে আরও জানানো হয়, অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘টুমরো’র মূল উদ্দেশ্য শিশু-কিশোরদের কাছে জলবায়ু পরিবর্তনের সংকটকে তুলে ধরা। বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো যেন জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর করারোপসহ নবায়নযোগ্য শক্তিতে অধিকতর বিনিয়োগ করে একটি সমাধান করতে পারে, এই ফিল্মটিতে তাই দেখানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ফিল্মটির নির্মাতা-কলাকুশলীরা ছাড়াও দীপ্ত টিভির পরিচালক কাজী জাহিন হাসান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফুয়াদ চৌধুরী, হেড অব নিউজ ইব্রাহীম আজাদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।