ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনার তয়ন হত্যা মামলা : ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময়: ০৬:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০
  • ১৮২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: খুলনা মহানগরীর খালিশপুর এলাকার কাজী তাসফিন হোসেন তয়ন (৩২) হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। খালাস দেয়া হয় দু’জনকে। রোববার খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ নজরুল ইসলাম মামলার এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, তনয় ২০১৮ সালের ২৮ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজ হলে তার বাবা কাজী ফেরদৌস হোসেন তোতা ৮ সেপ্টেম্বর খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার পর খালিশপুর থানা পুলিশ প্রথমে সন্দেহজনক আসামি সাইফুলকে গ্রেফতার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল স্বীকার করে, তারা কয়েকজন মিলে ২৮ আগস্ট রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তয়নকে হত্যা করে লাশ বয়রা পুলিশ লাইনের পশ্চিম পাশের মোস্তফা কামালের ডোবা জমির উত্তর পাশের কচুরিপানা ও হোগলা বনের মধ্যে চাপা দিয়ে রেখেছে। সাইফুলের দেখানো মতে, ওই ডোবা থেকে পিলার ও বাঁশের সাথে বাঁধা অবস্থায় তয়নের গলিত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। পরে আসামি সাইফুল ও অপর সহযোগী কাজী মুরাদ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

জবানবন্দিতে তনয় হত্যায় কাজী ফরহাদ হোসেন, কাজী সাব্বির হোসেন ফাহিম, কাজী রওনাকুল ইসলাম রনো, কাজী মাসুম ও মোঃ জাকির জড়িত বলে উল্লেখ করে। পুলিশ পরে জাকির ছাড়া বাকি আসামিদের গ্রেফতার করে। জাকির হোসেন এখনও পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মিজানুর রহমান সাতজনকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আইজিপিকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন

খুলনার তয়ন হত্যা মামলা : ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময়: ০৬:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: খুলনা মহানগরীর খালিশপুর এলাকার কাজী তাসফিন হোসেন তয়ন (৩২) হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। খালাস দেয়া হয় দু’জনকে। রোববার খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ নজরুল ইসলাম মামলার এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, তনয় ২০১৮ সালের ২৮ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজ হলে তার বাবা কাজী ফেরদৌস হোসেন তোতা ৮ সেপ্টেম্বর খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার পর খালিশপুর থানা পুলিশ প্রথমে সন্দেহজনক আসামি সাইফুলকে গ্রেফতার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল স্বীকার করে, তারা কয়েকজন মিলে ২৮ আগস্ট রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তয়নকে হত্যা করে লাশ বয়রা পুলিশ লাইনের পশ্চিম পাশের মোস্তফা কামালের ডোবা জমির উত্তর পাশের কচুরিপানা ও হোগলা বনের মধ্যে চাপা দিয়ে রেখেছে। সাইফুলের দেখানো মতে, ওই ডোবা থেকে পিলার ও বাঁশের সাথে বাঁধা অবস্থায় তয়নের গলিত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। পরে আসামি সাইফুল ও অপর সহযোগী কাজী মুরাদ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

জবানবন্দিতে তনয় হত্যায় কাজী ফরহাদ হোসেন, কাজী সাব্বির হোসেন ফাহিম, কাজী রওনাকুল ইসলাম রনো, কাজী মাসুম ও মোঃ জাকির জড়িত বলে উল্লেখ করে। পুলিশ পরে জাকির ছাড়া বাকি আসামিদের গ্রেফতার করে। জাকির হোসেন এখনও পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মিজানুর রহমান সাতজনকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।