ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

  • আপডেট সময়: ১১:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৩৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জনি একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে ও সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের মামলা রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যার প্রধান আসামি তিনি। জামালপুর সীমান্ত এলাকায় চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও আমিরুল ইসলাম সুমনের সাথে ঘনিষ্ঠ সখ্যতা ছিল জনির। মাদক বিক্রির টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জের ধরে শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে যাওয়ার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন মাঠের মধ্যে ফেলে দেয় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী জনির মরনদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়।

স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারের সাথে জড়িত। তিনি ভারতে পালিয়েও ছিলেন অনেকদিন। গত বছর জনির নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়। ওই মামলার তিনি প্রধান আসামি। সীমান্তে নানা অপরাধের সাথেও জড়িত ছিলেন জনি।

দৌলতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। মাদক ও হত্যা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে আমরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আইজিপিকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন

কুষ্টিয়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময়: ১১:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জনি একই ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে ও সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকের মামলা রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত। দৌলতপুরের চাঞ্চল্যকর মোহন হত্যার প্রধান আসামি তিনি। জামালপুর সীমান্ত এলাকায় চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারি নাজিমুদ্দিনের ছেলে সোহান ও আমিরুল ইসলাম সুমনের সাথে ঘনিষ্ঠ সখ্যতা ছিল জনির। মাদক বিক্রির টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জের ধরে শনিবার দুপুরে জনি নিজ বাড়ি জামালপুর গ্রামে যাওয়ার পথে সোহান ও সুমনের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় জনিকে হাঁসুয়া দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন মাঠের মধ্যে ফেলে দেয় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী জনির মরনদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়।

স্থানীয়রা জানান, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারের সাথে জড়িত। তিনি ভারতে পালিয়েও ছিলেন অনেকদিন। গত বছর জনির নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় মোহন নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়। ওই মামলার তিনি প্রধান আসামি। সীমান্তে নানা অপরাধের সাথেও জড়িত ছিলেন জনি।

দৌলতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, জনি একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে। মাদক ও হত্যা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে আমরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি।