ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় অনশনে জুট মিলের শ্রমিকরা

  • আপডেট সময়: ০২:২৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ১৯১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পিএফ, গ্র্যাচুইটিসহ পাওনা পরিশোধের দাবিতে খুলনায় বেসরকারি মহসেন জুট মিলের শ্রমিক-কর্মচারীরা অনশন শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তারা নগরীর ফুলবাড়ি গেট এলাকার জুট মিলের সামনে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

এতে সভাপতিত্ব করছেন সিবিএ-এর সাবেক সভাপতি শহিদুল্লাহ খা।

জানা যায়, মিলের ৩৪৭ জন শ্রমিক ও ৫০ জন কর্মচারীর মোট পাওনা ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে মিলটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়।
এর আগে, ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই এক দাপ্তরিক আদেশের মাধ্যমে মিলটি লে-অফ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। শ্রম আইন অনুযায়ী, ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারীকে ক্ষতিপূরণ, লে-অফ বেনিফিট, গ্র্যাচুইটির পাওনাদি পরিশোধের কথা থাকলেও সাত বছরেও তা করা হয়নি। এতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন শ্রমিকরা।

মিলের সাবেক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, পাওনা পরিশোধের বিষয়ে গত ২৬ জুলাই খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মিল মালিক ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে ত্রি-পক্ষীয় বৈঠক হয়। এসময় ২৬ আগস্টের মধ্যে চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধের কথা বলা হয়। কিন্তু মিল কর্তৃপক্ষ পাওনা পরিশোধ না করায় আন্দোলনে নেমেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আইজিপিকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন

খুলনায় অনশনে জুট মিলের শ্রমিকরা

আপডেট সময়: ০২:২৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পিএফ, গ্র্যাচুইটিসহ পাওনা পরিশোধের দাবিতে খুলনায় বেসরকারি মহসেন জুট মিলের শ্রমিক-কর্মচারীরা অনশন শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তারা নগরীর ফুলবাড়ি গেট এলাকার জুট মিলের সামনে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

এতে সভাপতিত্ব করছেন সিবিএ-এর সাবেক সভাপতি শহিদুল্লাহ খা।

জানা যায়, মিলের ৩৪৭ জন শ্রমিক ও ৫০ জন কর্মচারীর মোট পাওনা ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে মিলটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়।
এর আগে, ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই এক দাপ্তরিক আদেশের মাধ্যমে মিলটি লে-অফ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। শ্রম আইন অনুযায়ী, ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারীকে ক্ষতিপূরণ, লে-অফ বেনিফিট, গ্র্যাচুইটির পাওনাদি পরিশোধের কথা থাকলেও সাত বছরেও তা করা হয়নি। এতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন শ্রমিকরা।

মিলের সাবেক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, পাওনা পরিশোধের বিষয়ে গত ২৬ জুলাই খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মিল মালিক ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে ত্রি-পক্ষীয় বৈঠক হয়। এসময় ২৬ আগস্টের মধ্যে চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধের কথা বলা হয়। কিন্তু মিল কর্তৃপক্ষ পাওনা পরিশোধ না করায় আন্দোলনে নেমেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।