ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাম কমার পর পেঁয়াজ নিয়ে বাজারে টিসিবি

  • আপডেট সময়: ০৬:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ১৬৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : পেঁয়াজের দাম কমার পর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরে টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মৃধা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে এ পেঁয়াজ কিনতে মানুষ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কালীগঞ্জ বাজারে ১০০ থেকে ৮০ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা যায়। আর তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে।

টিসিবির ডিলার শিপন মৃধা জানান, কালীগঞ্জের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, সাবেক আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ইসরাইল হোসেন, সাবেক এমপি আব্দুল মান্নানের ভাই আব্দুর রশিদ খোকন ও আমিসহ মোট চারজন টিসিবির ডিলার। কিন্তু কেউ টিসিবির মালামাল তোলেনি। শুধুমাত্র আমিই ৫ হাজার কেজি পেঁয়াজ তুলেছি। পেঁয়াজগুলো তুরস্কের। ৪৫ টাকা কেজি দরে জনপ্রতি ২ কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হচ্ছে। সকালে ঝিনাইদহ ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল আজীম আনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবর্ণা রানী সাহা টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির উদ্বোধন করেন।

পেঁয়াজ কিনতে আসা চাপালী গ্রামের আব্দুর রহমান, কলাহাটা পাড়ার শহিদুল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, তুরস্কের পেঁয়াজ অনেক বড়। দেখতে অনেকটা মাল্টা বা আপেলের মতো। এতে পেঁয়াজের গন্ধ ও স্বাদ নেই। আবার অনেক পেঁয়াজ পচে গেছে। কোটচাঁদপুর রোডের মুদি ব্যবসায়ী সঞ্জয় রায় জানান, তারা ১০০ থেকে ৮০ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। বড় পেঁয়াজ ১০০ টাকা, মাঝারি পেঁয়াজ ৯০ টাকা ও ছোট সাইজের পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুর্বণা রানী সাহা জানান, আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) থেকে কালীগঞ্জে টিসিবির পেঁয়াজ দেওয়া শুরু হয়েছে। স্টক থাকা পর্যন্ত পেঁয়াজ বিক্রি চলমান থাকবে। পেঁয়াজের দাম কমার পর টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, কালীগঞ্জে একজন মাত্র টিসিবর ডিলার আছে। তার মাধ্যমে টিসিবি পেঁয়াজ এনে জনগণকে দেওয়া হচ্ছে। আরো তিনজন ডিলার আছে, তারা কেন পেঁয়াজ বিক্রি করছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাকিরা তাদের টিসিবির নবায়ন করেনি। যার কারণে তাদের আর এখন ডিলারশিপ নেই।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আইজিপিকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন

দাম কমার পর পেঁয়াজ নিয়ে বাজারে টিসিবি

আপডেট সময়: ০৬:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : পেঁয়াজের দাম কমার পর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরে টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মৃধা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে এ পেঁয়াজ কিনতে মানুষ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কালীগঞ্জ বাজারে ১০০ থেকে ৮০ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা যায়। আর তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে।

টিসিবির ডিলার শিপন মৃধা জানান, কালীগঞ্জের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, সাবেক আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ইসরাইল হোসেন, সাবেক এমপি আব্দুল মান্নানের ভাই আব্দুর রশিদ খোকন ও আমিসহ মোট চারজন টিসিবির ডিলার। কিন্তু কেউ টিসিবির মালামাল তোলেনি। শুধুমাত্র আমিই ৫ হাজার কেজি পেঁয়াজ তুলেছি। পেঁয়াজগুলো তুরস্কের। ৪৫ টাকা কেজি দরে জনপ্রতি ২ কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হচ্ছে। সকালে ঝিনাইদহ ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল আজীম আনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবর্ণা রানী সাহা টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির উদ্বোধন করেন।

পেঁয়াজ কিনতে আসা চাপালী গ্রামের আব্দুর রহমান, কলাহাটা পাড়ার শহিদুল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, তুরস্কের পেঁয়াজ অনেক বড়। দেখতে অনেকটা মাল্টা বা আপেলের মতো। এতে পেঁয়াজের গন্ধ ও স্বাদ নেই। আবার অনেক পেঁয়াজ পচে গেছে। কোটচাঁদপুর রোডের মুদি ব্যবসায়ী সঞ্জয় রায় জানান, তারা ১০০ থেকে ৮০ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। বড় পেঁয়াজ ১০০ টাকা, মাঝারি পেঁয়াজ ৯০ টাকা ও ছোট সাইজের পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুর্বণা রানী সাহা জানান, আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) থেকে কালীগঞ্জে টিসিবির পেঁয়াজ দেওয়া শুরু হয়েছে। স্টক থাকা পর্যন্ত পেঁয়াজ বিক্রি চলমান থাকবে। পেঁয়াজের দাম কমার পর টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, কালীগঞ্জে একজন মাত্র টিসিবর ডিলার আছে। তার মাধ্যমে টিসিবি পেঁয়াজ এনে জনগণকে দেওয়া হচ্ছে। আরো তিনজন ডিলার আছে, তারা কেন পেঁয়াজ বিক্রি করছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাকিরা তাদের টিসিবির নবায়ন করেনি। যার কারণে তাদের আর এখন ডিলারশিপ নেই।