লোকসমাচার,স্টাফ রিপোর্টার ; আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) শেষ হচ্ছে ৩দিনের (জোড়) ইজতেমা। আগের দিন ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার ইজতেমা মাঠে লাখো মুসল্লিসহ রাজনৈতিক সামাজিক ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিসহ সকল স্তরের ধর্মপ্রান মানুষ জুম্মার নামাজ আদায় করেন। জুম্মার নামাজে বয়ান করেন ঢাকা কাকরাইল মসজিদের ঈমাম মুফতি মাওলানা জিয়াউল হক।
৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে যশোর নতুন উপশহরের ক্রীড়া উদ্যানে ফজরের পর আমবয়ানের মাধ্যমে তিন দিনের (জোড়) ইজতেমা কার্যক্রম শুরু হয়। এ নিয়ে যশোরে তৃতীয়বারের মতো ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।
ইজতেমা আয়োজন কমিটির প্রধান মাওলানা নাসীরুল্লাহ বলেন, শনিবার সকাল ১০ টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ৩দিনের ইজতেমা শেষ হবে। ভারতের দারুল উলুম দেওবন্ধ মাদ্রাসার মুরব্বি মাওলানা আব্দুর রহমান আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন। আখেরি মোনাজাতে প্রায় দুলাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে তিনি আশা করেন। আখেরি মোনাজাতে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হবে।
ইজতেমার জন্যে প্রায় ৭ লাখ বর্গফুট জায়গা প্রস্তুত করা হয়। গোটা মাঠ ত্রিপল ও চট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর ও পাবনা থেকে মুরুব্বিরা ইজতেমায় আসেন। তবলিগের পুরনো সাথী যারা ইতোমধ্যে তিন চিল্লা সম্পন্ন করেছেন তারাও আসনে ইজতেমায়।
আয়োজকরা বলছেন, প্রায় এক হাজার বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীর থাকার আয়োজন করা হয়েছে। তাদের ইশারা ভাষায় বয়ান বোঝানোর জন্য ২০-২৫ জন মুতার্জেম (ট্রান্সলেটর) থাকবেন।
উপশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে প্রায় এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছি। উপশহর বাজারের প্রত্যেক দোকানিকে বলে দেওয়া হয়েছে ইজতেমার এই তিনদিন যেন তারা কোনও দ্রব্যের দাম বেশি না রাখেন।’
যশোর পুলিশ প্রশাসন ইজতেমা স্থলের নিরাপত্তা জোরদার করতে ব্যবস্থা নিয়েছে। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যশোরে ইজতেমা হচ্ছে বেশ কয়েকটা ভেন্যুতে। আমরা প্রত্যেক ভেন্যুর ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। নিরাপত্তার স্বর্থে সাতক্ষীরা ও ঝিনাইদহ থেকে ফোর্স আনা হয়েছে।’



























