স্টাফ রিপোর্টার:যশোর সদর উপজেলা ইছালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর একশিক্ষার্থীকে (১৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগে স্কুলের সহকারি শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই
শিক্ষার্থীর পিতা বুধবার মামলা করেন। আসামি খলিলুর রহমান সদরের নাটুয়াপাড়া লাউখালি গ্রামের মৃত বাবর আলীর ছেলে।
পুলিশ খলিলকেআটক করে। আদালতে স্কুল শিক্ষার্থী জবান বন্দি দেয়।মামলার অভিযোগে ওই স্কুল শিক্ষার্থীর পিতা বলেন,আমার মেয়ে ইছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী।
আসামি খলিলুর রহমানের স্বভাব চরিত্র ভালো না। আসামি খলিল আমার নাবালিকা মেয়েসহ স্কুলের ছাত্রীদের প্রায় কুপ্রস্তাব ও উত্যক্ত করতো। আসামি আমার মেয়েকে কুপ্রস্তাব ও গায়ে হাত দেয়। বিষয়টি আমার মেয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে জানায়। আসামির এ ধরনের কার্যকলাপে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিন্তু আসামি খলিল আমাদের কথায় কর্নপাত করে না।
২৯ আগস্ট সকালে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে যায়। সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯ টায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে কমন রুমের ভিতর দিয়ে ওয়াশ রুমে যায়। ওই সময় কমন রুমে ছাত্রছাত্রীরা কেউ
আসেনি। আসামি খলিল ওই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কমন রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। অসৎ উদ্দেশ্যে আমার মেয়েকে জাপ্টিয়ে ধরে।
যৌনকামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আমার মেয়ের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়।পরনের কাপড় টানা হেচড়া করে। আমার মেয়ের চিৎকারে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এগিয়ে গেলে আসামি খলিল কৌশলে পালিয়ে যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার দারোগা এস আই আমিনুর রহমান জানান,মঙ্গলবার রাতে খলিলকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। বুধবার
আদালতে সোপর্দ করা হয়। একই দিন স্কুল শিক্ষার্থী আদালতে ২২ ধারায় জবান বন্দি প্রদান করে। আসামিকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।





















