ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের

  • আপডেট সময়: ১২:১৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ১৫২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। শত্রুপক্ষের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। চলমান এ হামলা-পাল্টা হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই এবার তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা ‘ধ্বংস’ করার দাবি করেছে তেহরান।

দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ‘ভারী ক্ষেপণাস্ত্র’ ও ড্রোনের আঘাতে ইসরায়েল, ইরাক এবং কুয়েতের প্রধান সামরিক ঘাঁটিগুলো লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। খবর আল জাজিরার।

আইআরজিসি-র তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলে সরাসরি আঘাত হেনেছে। শহরজুড়ে অবিরাম অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন এবং ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার স্বীকারোক্তিই এই হামলার গভীর প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরাক ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান। আইআরজিসি দাবি করেছে, শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এসব ঘাঁটি কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হারির বিমানঘাঁটি’ কুয়েতের মার্কিন সেনাদের প্রধান লজিস্টিক হাব ‘আলি আল সালেম’ এবং ‘আরিফজান’ ঘাঁটি।

তেহরানের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় মার্কিন বাহিনীর আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষম হয়েছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো। বিশেষ করে কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সেনাদের আবাসস্থলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি। যদিও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি, তবে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা পরিস্থিতির ভয়াবহতা জানান দিচ্ছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

৩ দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের

আপডেট সময়: ১২:১৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। শত্রুপক্ষের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। চলমান এ হামলা-পাল্টা হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই এবার তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা ‘ধ্বংস’ করার দাবি করেছে তেহরান।

দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ‘ভারী ক্ষেপণাস্ত্র’ ও ড্রোনের আঘাতে ইসরায়েল, ইরাক এবং কুয়েতের প্রধান সামরিক ঘাঁটিগুলো লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। খবর আল জাজিরার।

আইআরজিসি-র তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলে সরাসরি আঘাত হেনেছে। শহরজুড়ে অবিরাম অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন এবং ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার স্বীকারোক্তিই এই হামলার গভীর প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরাক ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান। আইআরজিসি দাবি করেছে, শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এসব ঘাঁটি কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হারির বিমানঘাঁটি’ কুয়েতের মার্কিন সেনাদের প্রধান লজিস্টিক হাব ‘আলি আল সালেম’ এবং ‘আরিফজান’ ঘাঁটি।

তেহরানের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় মার্কিন বাহিনীর আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষম হয়েছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো। বিশেষ করে কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সেনাদের আবাসস্থলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি। যদিও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি, তবে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা পরিস্থিতির ভয়াবহতা জানান দিচ্ছে।