ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মশিয়ার রহমান হত্যা মামলা: শালিখার সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল কারাগারে

  • আপডেট সময়: ১১:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার, নিজস্ব প্রতিবেদক:মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শালিখা আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বর্ণালী রানী তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বরিশাল নৌ-পুলিশে কর্মরত অবস্থায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৫ সালের ঘটনা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মশিয়ার রহমান নিহত হন। তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, তৎকালীন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল হোসেন তাঁকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করেন। সে সময় ঘটনাটিকে কথিত ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে উপস্থাপন করে মামলা করা হয়েছিল বলে পরবর্তী হত্যা মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
তবে ২০১৫ সালের তাৎক্ষণিক সংবাদ প্রতিবেদনে ঘটনাটি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। ফলে ওই সময়ের প্রতিবেদন এবং পরবর্তী হত্যা মামলার অভিযোগের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

২০২৪ সালে হত্যা মামলা
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত মশিয়ার রহমানের স্ত্রী হাসিনা বেগম ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আদালতে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় সাবেক ওসি ও এসআই ছাড়াও তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদার, তাঁর ভাই বিমল শিকদারসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। মামলার অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

আইনি অবস্থান: এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। তাঁরা মামলার আসামি; অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে।

সূত্র: খবরের কাগজ, আমার দেশ এবং ২০১৫ সালের ঘটনাসংক্রান্ত সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

মশিয়ার রহমান হত্যা মামলা: শালিখার সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল কারাগারে

আপডেট সময়: ১১:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার, নিজস্ব প্রতিবেদক:মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শালিখা আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বর্ণালী রানী তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বরিশাল নৌ-পুলিশে কর্মরত অবস্থায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৫ সালের ঘটনা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মশিয়ার রহমান নিহত হন। তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, তৎকালীন ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল হোসেন তাঁকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করেন। সে সময় ঘটনাটিকে কথিত ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে উপস্থাপন করে মামলা করা হয়েছিল বলে পরবর্তী হত্যা মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
তবে ২০১৫ সালের তাৎক্ষণিক সংবাদ প্রতিবেদনে ঘটনাটি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। ফলে ওই সময়ের প্রতিবেদন এবং পরবর্তী হত্যা মামলার অভিযোগের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

২০২৪ সালে হত্যা মামলা
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত মশিয়ার রহমানের স্ত্রী হাসিনা বেগম ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আদালতে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় সাবেক ওসি ও এসআই ছাড়াও তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদার, তাঁর ভাই বিমল শিকদারসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। মামলার অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

আইনি অবস্থান: এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। তাঁরা মামলার আসামি; অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে।

সূত্র: খবরের কাগজ, আমার দেশ এবং ২০১৫ সালের ঘটনাসংক্রান্ত সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদন।