ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৩০ মিলিয়ন ডলারের ১১ মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত

  • আপডেট সময়: ০৪:২৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ১২৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত ১১টি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে সিবিএস নিউজ।

খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আরও দুটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট ১১টি ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন মূলত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং সীমিত নির্ভুল হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। তুলনামূলকভাবে কম গতির হওয়ায় এটি উচ্চমাত্রার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখে ঝুঁকিতে পড়ে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার গতিসীমার এই ড্রোনগুলো ইরানের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র এড়িয়ে যেতে পারেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক ড্রোন ধ্বংস হওয়ার ঘটনা চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও হামলা সক্ষমতার জন্য বড় ধরনের সামরিক ও প্রতীকী ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

৩৩০ মিলিয়ন ডলারের ১১ মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত

আপডেট সময়: ০৪:২৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত ১১টি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে সিবিএস নিউজ।

খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আরও দুটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট ১১টি ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন মূলত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং সীমিত নির্ভুল হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। তুলনামূলকভাবে কম গতির হওয়ায় এটি উচ্চমাত্রার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখে ঝুঁকিতে পড়ে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার গতিসীমার এই ড্রোনগুলো ইরানের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র এড়িয়ে যেতে পারেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক ড্রোন ধ্বংস হওয়ার ঘটনা চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও হামলা সক্ষমতার জন্য বড় ধরনের সামরিক ও প্রতীকী ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।