ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি

  • আপডেট সময়: ০১:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯
  • ২৬৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পদ্মা নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি। গত ২৪ ঘন্টায় নদীর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে রাজবাড়ী জেলার অংশে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার বিকাল ৫টার দিকে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে এবং পাংশার সেনগ্রাম গেজ স্টেশন পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার ও রাজবাড়ী সদরের মহেন্দ্রপুর গেজ স্টেশন পয়েন্টে ১.৮৪ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার বিকাল ৫টায় এ পানির পরিমাপ নির্ণয় করা হয়েছে।

তবে দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি বাড়লেও এখনও জেলার কোথাও বন্যা বা নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে দেখা দিয়েছে তীব্র স্রোতের ফলে নদী তীরবর্তী এলাকা গুলোতে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কৃষ্ণান্দ বিকাশ সরকার জানান, নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মহাবেদপুর থেকে চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া ঘাট এলাকা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলো মিটার অংশে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। যদিও ভাঙ্গন শুরুর পর থেকে তারা ২৫০ কেজি ওজনের বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন। বুধবার বিকাল পর্যন্ত সাত হাজারেরও বেশি বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

রাজবাড়ীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মার পানি দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বন্যার কোনো আভাস পাওয়া যায়নি। নদীপাড়ের নিম্নাঞ্চলগুলোতে এখনও পানি ওঠেনি।

তবে জেলার পাংশার হাবাসপুর, কালুখালীর রতনদিয়া, রাজবাড়ী সদরের মিজানপুর, বরাট, গোয়ালন্দের ছোট ভাকলা, দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন কবলিত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি

আপডেট সময়: ০১:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পদ্মা নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি। গত ২৪ ঘন্টায় নদীর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে রাজবাড়ী জেলার অংশে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার বিকাল ৫টার দিকে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে এবং পাংশার সেনগ্রাম গেজ স্টেশন পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার ও রাজবাড়ী সদরের মহেন্দ্রপুর গেজ স্টেশন পয়েন্টে ১.৮৪ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার বিকাল ৫টায় এ পানির পরিমাপ নির্ণয় করা হয়েছে।

তবে দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি বাড়লেও এখনও জেলার কোথাও বন্যা বা নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে দেখা দিয়েছে তীব্র স্রোতের ফলে নদী তীরবর্তী এলাকা গুলোতে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কৃষ্ণান্দ বিকাশ সরকার জানান, নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মহাবেদপুর থেকে চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া ঘাট এলাকা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলো মিটার অংশে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। যদিও ভাঙ্গন শুরুর পর থেকে তারা ২৫০ কেজি ওজনের বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন। বুধবার বিকাল পর্যন্ত সাত হাজারেরও বেশি বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

রাজবাড়ীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মার পানি দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বন্যার কোনো আভাস পাওয়া যায়নি। নদীপাড়ের নিম্নাঞ্চলগুলোতে এখনও পানি ওঠেনি।

তবে জেলার পাংশার হাবাসপুর, কালুখালীর রতনদিয়া, রাজবাড়ী সদরের মিজানপুর, বরাট, গোয়ালন্দের ছোট ভাকলা, দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন কবলিত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে।