স্টাফ রিপোর্টার:যশোর শহরতলীর শেখহাটির রিক্সা চালক দিপু হোসেন হত্যা মামলায় ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই একরামুল হুদা।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো, ছোট শেখহাটির নুর ইসলামের ছেলে রাব্বি হোসেন, তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে হৃদয় হোসেন, মৃত আব্দুল মোল্যা আবুর ছেলে আসাদুর রহমান, ফজের আলীর ছেলে তাজু শেখ, সিরাজ হোসেনের ছেলে রানা হোসেন ওরফে আব্দুল আলিম ও হাবিবুর রহমানের ছেলে হুমায়ুন কবির তপু।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, দিপু হোসেন রিকসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। মাঝে মধ্যে দিপু গরু জবাইয়ের কাজ করত। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিবেশী বাবুর একটি গরু জবাই করে মাংশ তৈরীর কাজ নেয় দিপু, রাব্বি ও সাঈদ। কাজ শেষে দিপুর ভাগের এক হাজার টাকা রাব্বি নিজের কাছে রাখে। পাওনা ১ হাজার টাকা না দিয়ে দিপুকে ঘোরাতে থাকে রাব্বি।
এনিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাবিব তার বাড়িতে যায় দিপুকে খোঁজ করতে। দিপু রিকসা চালাতে গিয়েছে বাড়ি না আসায় রাব্বি চলে আসে। ওইদিন রাত ১টার দিকে দিপু রিকসা চালিয়ে জামরুলতলা বাজারের কামরুলের চার্জারের দোকানে চার্জে বসিয়ে বাড়িতে ফির ছিলো। রাত সোয়া একটার দিকে মুন্সির বাঁশতলা নামক স্থানে পৌঁছালে আসামিরা তার গতিরোধ করে ধরে রব মুন্সির মেহগুনি বাগারে মধ্যে নিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। দিপুর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত দিপুকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনালের হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন মারা যায়। এ ঘটনায় নিতের পিতা রফিকুল ইসলম মনু বাদী হয়ে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত সকল আসামিকে আটক দেখানো হয়েছে।





















