ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় নতুন ২ নদীবন্দর, প্রজ্ঞাপন জারি

  • আপডেট সময়: ০৬:৩৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দেশের উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগ উন্নয়ন, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং নদীবন্দরভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই দুই নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

নতুন দুটি নদীবন্দর হলো, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি নদীবন্দর এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের ধুনট নদীবন্দর। আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই নদীবন্দরকে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পোর্ট অ্যাক্ট ১৯০৮-এর ধারা ৪-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) এবং উপধারা (২)-এর ক্ষমতাবলে দুটি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনের প্রয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত। দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত।

অন্যদিকে, ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে। দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাটসংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাতরবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত। দুই বন্দরের ক্ষেত্রেই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান খাল ও ঘাটসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একইভাবে ধুনট নদীবন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা ও শাহরাবাড়ি ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া নৌপথ উন্নয়ন, জেটি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

FibroScan সেবা: পপুলার ডায়াগনস্টিক ও KNS Canada (BD)-এর মধ্যে নতুন সমঝোতা

বগুড়ায় নতুন ২ নদীবন্দর, প্রজ্ঞাপন জারি

আপডেট সময়: ০৬:৩৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দেশের উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগ উন্নয়ন, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং নদীবন্দরভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই দুই নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

নতুন দুটি নদীবন্দর হলো, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি নদীবন্দর এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের ধুনট নদীবন্দর। আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই নদীবন্দরকে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পোর্ট অ্যাক্ট ১৯০৮-এর ধারা ৪-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) এবং উপধারা (২)-এর ক্ষমতাবলে দুটি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনের প্রয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত। দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত।

অন্যদিকে, ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে। দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাটসংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাতরবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত। দুই বন্দরের ক্ষেত্রেই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান খাল ও ঘাটসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একইভাবে ধুনট নদীবন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা ও শাহরাবাড়ি ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া নৌপথ উন্নয়ন, জেটি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।