ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুক্তি না হলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

  • আপডেট সময়: ১০:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:চলমান যুদ্ধবিরতির সময়কালকে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের সরঞ্জাম পুনরায় মজুত করার কাজে ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্দেশ দিলে মার্কিন সামরিক বাহিনী পুনরায় ইরানে হামলা শুরু করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে প্রচুর গোলাবারুদসহ সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে…। আমরা এই সময়টাকে সরঞ্জাম মজুতের কাজে লাগিয়েছি এবং তারাও (ইরান) হয়তো কিছুটা মজুত করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা অভিযানের জন্য প্রস্তুত। আমাদের সামরিক বাহিনী মুখিয়ে আছে।’’ মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বুধবার শেষ হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াতে চান না তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই। ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি একটি চুক্তিতে আসে, তাহলে তারা নিজেদের খুব ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবে।

আলোচনায় বসা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই বলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তিনি।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি ইরান। দেশটি এখন পর্যন্ত কোনও প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পাঠায়নি। যদিও পরবর্তী দফার আলোচনায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছে না তেহরান।

কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, পাকিস্তানে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ইরানের কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াটা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার অভাব নয়, বরং একটি গভীর সন্দেহবোধ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। নৌ-অবরোধ, ক্রু সদস্য ও তাদের পরিবারসহ একটি ইরানি জাহাজে হামলা এবং ভারত মহাসাগরের কাছে আরেকটি জাহাজ জব্দ করার ঘটনাগুলোকে ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।

তেহরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এই দৃষ্টিভঙ্গি কোনও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নয়, বরং তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার একটি চেষ্টা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ইরান বলছে, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকির মুখে অর্থবহ কূটনীতি চলতে পারে না। এ ধরনের অবস্থান সহজাতভাবেই স্ববিরোধী।

সূত্র: আল জাজিরা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

চুক্তি না হলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আপডেট সময়: ১০:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:চলমান যুদ্ধবিরতির সময়কালকে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের সরঞ্জাম পুনরায় মজুত করার কাজে ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্দেশ দিলে মার্কিন সামরিক বাহিনী পুনরায় ইরানে হামলা শুরু করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে প্রচুর গোলাবারুদসহ সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে…। আমরা এই সময়টাকে সরঞ্জাম মজুতের কাজে লাগিয়েছি এবং তারাও (ইরান) হয়তো কিছুটা মজুত করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা অভিযানের জন্য প্রস্তুত। আমাদের সামরিক বাহিনী মুখিয়ে আছে।’’ মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বুধবার শেষ হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াতে চান না তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই। ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি একটি চুক্তিতে আসে, তাহলে তারা নিজেদের খুব ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবে।

আলোচনায় বসা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই বলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তিনি।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি ইরান। দেশটি এখন পর্যন্ত কোনও প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পাঠায়নি। যদিও পরবর্তী দফার আলোচনায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছে না তেহরান।

কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, পাকিস্তানে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ইরানের কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াটা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার অভাব নয়, বরং একটি গভীর সন্দেহবোধ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। নৌ-অবরোধ, ক্রু সদস্য ও তাদের পরিবারসহ একটি ইরানি জাহাজে হামলা এবং ভারত মহাসাগরের কাছে আরেকটি জাহাজ জব্দ করার ঘটনাগুলোকে ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।

তেহরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এই দৃষ্টিভঙ্গি কোনও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নয়, বরং তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার একটি চেষ্টা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ইরান বলছে, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকির মুখে অর্থবহ কূটনীতি চলতে পারে না। এ ধরনের অবস্থান সহজাতভাবেই স্ববিরোধী।

সূত্র: আল জাজিরা।