ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণপিটুনির কারণ খতিয়ে দেখা হবে : আইনমন্ত্রী

  • আপডেট সময়: ১১:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯
  • ১৪৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সম্প্রতি সংঘটিত ঘনঘন অগ্নিকাণ্ড, ধর্ষণ ও গণপিটুনির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। এ ধরনের সব ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দেশের প্রচলিত আইনে এসবের বিচার হবে। দেশে যথেষ্ট ভালো আইন রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন (ইউএনসিএটি) বিষয়ে সিভিল সোসাইটির সাথে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যেকোনো ঘটনার একটা স্বাভাবিকতা আছে, আর একটা অস্বাভাবিকতা আছে। আপনারা যদি আগুন লাগার ঘটনা দেখে থাকেন। তাহলে দেখবেন এটা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকলো। তারপরে ধর্ষণের ঘটনা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকলো। এখন গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। এটা একটা দুটা দুর্ঘটনা হলে ঠিক আছে। পরিসংখ্যান কি বলে ১১ থেকে ১২টা ঘটনা ঘটেছে। এখানে এটা অস্বাভাবিক।

এর আগে আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যা কমেছে। একটাও যাতে বিচার বহির্ভূত হত্যা না হয়, সরকার সে দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। নির্যাতন বন্ধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন কমেছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের যেখানেই অপরাধ হচ্ছে সেখানেই তা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্ষণ বা অন্যান্য নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সরকার সর্বাত্মক পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাদক নির্মূলের জন্যও চেষ্টা করা হচ্ছে। এসিড সন্ত্রাস দমনে যেমন দেশের মানুষ সবাই একত্রিত হয়েছিল- তেমনি এসব অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করার জন্য সরকার বৈষম্য বিরোধ আইন প্রণয়ন করছে। এ আইনের খসড়া ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। আগামী মাসে এটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে এবং সেখানে অনুমোদিত হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাশের জন্য পাঠানো হবে।

আনিসুল হক বলেন, বৃটিশ ও পাকিস্তান আমলে জনগণকে শাসন করার জন্য পুলিশ বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলেছেন। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারও জনবান্ধব সরকার। জনগণের অকল্যাণ হয় এমন কোনো কাজ তিনি করতে চান না

মন্ত্রী বলেন, এই দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা প্রথমে শেখ হাসিনাই নিয়েছেন। তার সরকার এই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হকও বক্তৃতা করেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

গণপিটুনির কারণ খতিয়ে দেখা হবে : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময়: ১১:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সম্প্রতি সংঘটিত ঘনঘন অগ্নিকাণ্ড, ধর্ষণ ও গণপিটুনির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। এ ধরনের সব ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দেশের প্রচলিত আইনে এসবের বিচার হবে। দেশে যথেষ্ট ভালো আইন রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন (ইউএনসিএটি) বিষয়ে সিভিল সোসাইটির সাথে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যেকোনো ঘটনার একটা স্বাভাবিকতা আছে, আর একটা অস্বাভাবিকতা আছে। আপনারা যদি আগুন লাগার ঘটনা দেখে থাকেন। তাহলে দেখবেন এটা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকলো। তারপরে ধর্ষণের ঘটনা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকলো। এখন গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। এটা একটা দুটা দুর্ঘটনা হলে ঠিক আছে। পরিসংখ্যান কি বলে ১১ থেকে ১২টা ঘটনা ঘটেছে। এখানে এটা অস্বাভাবিক।

এর আগে আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যা কমেছে। একটাও যাতে বিচার বহির্ভূত হত্যা না হয়, সরকার সে দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। নির্যাতন বন্ধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন কমেছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের যেখানেই অপরাধ হচ্ছে সেখানেই তা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্ষণ বা অন্যান্য নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সরকার সর্বাত্মক পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাদক নির্মূলের জন্যও চেষ্টা করা হচ্ছে। এসিড সন্ত্রাস দমনে যেমন দেশের মানুষ সবাই একত্রিত হয়েছিল- তেমনি এসব অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করার জন্য সরকার বৈষম্য বিরোধ আইন প্রণয়ন করছে। এ আইনের খসড়া ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। আগামী মাসে এটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে এবং সেখানে অনুমোদিত হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাশের জন্য পাঠানো হবে।

আনিসুল হক বলেন, বৃটিশ ও পাকিস্তান আমলে জনগণকে শাসন করার জন্য পুলিশ বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলেছেন। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারও জনবান্ধব সরকার। জনগণের অকল্যাণ হয় এমন কোনো কাজ তিনি করতে চান না

মন্ত্রী বলেন, এই দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা প্রথমে শেখ হাসিনাই নিয়েছেন। তার সরকার এই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হকও বক্তৃতা করেন।