ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, জানতে চেয়ে জিপি-রবিকে চিঠি

  • আপডেট সময়: ০৭:৫২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৬৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন (জিপি) ও রবির টুজি ও থ্রিজি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে চিঠি দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান।
তিনি জানান, বিটিআরসির অডিট আপত্তি অনুযায়ী দুই অপারেটরের কাছে বকেয়া পাওনা প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা দাবি করে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এই বকেয়া পাওনা দাবি করে প্রথমে দুই অপারেটরের ব্যান্ডউইথ সীমিত করা হয়। এরপর ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে দেশের প্রতিষ্ঠান দু’টিকে সব ধরনের ‘অনাপত্তি পত্র’ প্রদান স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়।

বিটিআরসির অডিট আপত্তি অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ও রবির কাছে পাওনা ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এই পাওনা আদায়ে প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত ৪ জুলাই দুই অপারেটরের ব্যান্ডউইথ সীমিত করার নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। এই নির্দেশনার পর দুই অপারেটরের পক্ষ থেকে সালিশ অনুযায়ী পাওনার বিষয়টি নিষ্পত্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী এ প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয় বলে সাংবাদিকদের জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক। পরবর্তী সময়ে গ্রাহকদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে ব্যান্ডউইথ সীমিত করার নির্দেশনা প্রত্যাহার করে দুই অপারেটরের জন্য সব ধরনের ‘অনাপত্তি’ প্রদান স্থগিতের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। বর্তমানে এই নির্দেশ বলবৎ রয়েছে এবং এ কারণে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই দুই মোবাইল ফোন অপারেটর নতুন করে যন্ত্রপাতি আমদানি, স্থাপন, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কিংবা নতুন প্যাকেজ চালু করতে পারছে না। এবার আগের আদেশ বহাল রেখেই অপারেটরদের টুজি ও থ্রিজি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হল।

বর্তমানে দেশের মোবাইল ফোন গ্রাহক ১৬ কোটি ৮২ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৭ কোটি ৪৭ লাখ এবং রবির ৪ কোটি ৭৬ লাখ।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

কেন লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, জানতে চেয়ে জিপি-রবিকে চিঠি

আপডেট সময়: ০৭:৫২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন (জিপি) ও রবির টুজি ও থ্রিজি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে চিঠি দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান।
তিনি জানান, বিটিআরসির অডিট আপত্তি অনুযায়ী দুই অপারেটরের কাছে বকেয়া পাওনা প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা দাবি করে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এই বকেয়া পাওনা দাবি করে প্রথমে দুই অপারেটরের ব্যান্ডউইথ সীমিত করা হয়। এরপর ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে দেশের প্রতিষ্ঠান দু’টিকে সব ধরনের ‘অনাপত্তি পত্র’ প্রদান স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়।

বিটিআরসির অডিট আপত্তি অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ও রবির কাছে পাওনা ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এই পাওনা আদায়ে প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত ৪ জুলাই দুই অপারেটরের ব্যান্ডউইথ সীমিত করার নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। এই নির্দেশনার পর দুই অপারেটরের পক্ষ থেকে সালিশ অনুযায়ী পাওনার বিষয়টি নিষ্পত্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী এ প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয় বলে সাংবাদিকদের জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক। পরবর্তী সময়ে গ্রাহকদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে ব্যান্ডউইথ সীমিত করার নির্দেশনা প্রত্যাহার করে দুই অপারেটরের জন্য সব ধরনের ‘অনাপত্তি’ প্রদান স্থগিতের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। বর্তমানে এই নির্দেশ বলবৎ রয়েছে এবং এ কারণে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই দুই মোবাইল ফোন অপারেটর নতুন করে যন্ত্রপাতি আমদানি, স্থাপন, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কিংবা নতুন প্যাকেজ চালু করতে পারছে না। এবার আগের আদেশ বহাল রেখেই অপারেটরদের টুজি ও থ্রিজি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হল।

বর্তমানে দেশের মোবাইল ফোন গ্রাহক ১৬ কোটি ৮২ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৭ কোটি ৪৭ লাখ এবং রবির ৪ কোটি ৭৬ লাখ।