ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক আটক

  • আপডেট সময়: ১০:১৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
  • ১৬৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার লাকসামে ধর্ষণের অভিযোগে এক চিকিৎসককে আটক করেছে র‌্যাব। ওই ডাক্তার লাকসাম পৌর শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক। চাকুরী দেয়ার নামে ওই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে সে ধর্ষণ করেছে। বুধবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, কনডম ও বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ তাকে আটক করে। সে পৌর শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর নিকট লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারে কর্মরত জোসনা (ছদ্মনাম) চার মাস যাবত হেলথ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই হেলথ কেয়ারের মালিক মীর হোসেন চাকুরীর শুরু থেকেই তাকে বিভিন্ন ভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। চাকুরী হারানোর ভয়ে সে সবকিছু সহ্য করে আসছিলো। একপর্যায়ে মীর হোসেন তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। গত চার মাসে সে তাকে ৩০ বারের অধিক ধর্ষণ করে। প্রতিবার ধর্ষণ করার পর সে আমার শরীরে ব্যথা নাশক অজ্ঞাত একটি ইনজেকশান পুশ করতো। ধর্ষণের পর মীর হোসেন আমাকে হুমকী ধমকি দিয়ে বলে এ কথা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে তাকে চাকুরিচ্যুত করে মিথ্যা মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়। তার নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করে জোসনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মীর হোসেন একই ভাবে তার চেম্বারে বহু তরুণীকে চাকুরী দেয়ার নাম করে সর্বনাশ করেছে। তার হুমকী ধমকীর কারনে কেউ মুখ খুলার সাহস করেনি। এছাড়া ভূয়া চিকিৎসক মীর হোসেনকে বেশ কয়েক বার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তার চেম্বার বন্ধ করে দেয়া হয়। কিছু দিন পর সে কৌশলে আবার চেম্বার খুলে তার পুরোনো অপকর্ম শুরু করে থাকে। কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর কোম্পানী কমান্ডার প্রণব কুমার জানান, ওই মেয়ের লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমরা লাকসাম ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক মীর হোসেনের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, বিপুল পরিমান কন্ডমসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্য পাই। সে কোন ডাক্তার নয়। সে চাকুরী দেয়ার নামে এই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। তাকে ও তার চেম্বারে কর্মরত অপর এক মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

কুমিল্লায় ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক আটক

আপডেট সময়: ১০:১৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার,কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার লাকসামে ধর্ষণের অভিযোগে এক চিকিৎসককে আটক করেছে র‌্যাব। ওই ডাক্তার লাকসাম পৌর শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক। চাকুরী দেয়ার নামে ওই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে সে ধর্ষণ করেছে। বুধবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, কনডম ও বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ তাকে আটক করে। সে পৌর শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর নিকট লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারে কর্মরত জোসনা (ছদ্মনাম) চার মাস যাবত হেলথ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই হেলথ কেয়ারের মালিক মীর হোসেন চাকুরীর শুরু থেকেই তাকে বিভিন্ন ভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। চাকুরী হারানোর ভয়ে সে সবকিছু সহ্য করে আসছিলো। একপর্যায়ে মীর হোসেন তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। গত চার মাসে সে তাকে ৩০ বারের অধিক ধর্ষণ করে। প্রতিবার ধর্ষণ করার পর সে আমার শরীরে ব্যথা নাশক অজ্ঞাত একটি ইনজেকশান পুশ করতো। ধর্ষণের পর মীর হোসেন আমাকে হুমকী ধমকি দিয়ে বলে এ কথা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে তাকে চাকুরিচ্যুত করে মিথ্যা মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়। তার নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করে জোসনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মীর হোসেন একই ভাবে তার চেম্বারে বহু তরুণীকে চাকুরী দেয়ার নাম করে সর্বনাশ করেছে। তার হুমকী ধমকীর কারনে কেউ মুখ খুলার সাহস করেনি। এছাড়া ভূয়া চিকিৎসক মীর হোসেনকে বেশ কয়েক বার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তার চেম্বার বন্ধ করে দেয়া হয়। কিছু দিন পর সে কৌশলে আবার চেম্বার খুলে তার পুরোনো অপকর্ম শুরু করে থাকে। কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর কোম্পানী কমান্ডার প্রণব কুমার জানান, ওই মেয়ের লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমরা লাকসাম ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক মীর হোসেনের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, বিপুল পরিমান কন্ডমসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্য পাই। সে কোন ডাক্তার নয়। সে চাকুরী দেয়ার নামে এই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। তাকে ও তার চেম্বারে কর্মরত অপর এক মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।