ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে হামলায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জড়িত ছিল সৌদি আরবও

  • আপডেট সময়: ০২:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ১৪৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরানের বিরুদ্ধে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব—এমন দাবি করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যেই ইরানে হামলার পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে সৌদি আরবের ভূমিকা ছিল কিছুটা জটিল। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোনে কথা বলে হামলার পক্ষে মত দেন বলে জানানো হয়, যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে বক্তব্য দেন।

একই সময়ে রিয়াদ জানায়, ইরানে হামলা হলে সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

শনিবার ট্রাম্প বলেন, দুটি কারণে তিনি অপারেশন এপিক ফিউরি চালু করেন। প্রথমত, জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা ভেঙে পড়ে। দ্বিতীয়ত, আগের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্গঠনের চেষ্টা শুরু হয়েছিল।

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানিরা কখনও এগিয়ে আসে, আবার সরে যায়। এতে বুঝেছি তারা আসলে চুক্তি চায় না।

তিনি আরও জানান, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে ইরান-সম্পর্কিত হামলার একটি তালিকা প্রস্তুত করতে তিনি নির্দেশ দেন এবং দেখেন প্রায় প্রতি মাসেই তারা কোনো না কোনো সহিংস ঘটনায় জড়িত ছিল। -ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ইরানে হামলায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জড়িত ছিল সৌদি আরবও

আপডেট সময়: ০২:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরানের বিরুদ্ধে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব—এমন দাবি করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যেই ইরানে হামলার পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে সৌদি আরবের ভূমিকা ছিল কিছুটা জটিল। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোনে কথা বলে হামলার পক্ষে মত দেন বলে জানানো হয়, যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে বক্তব্য দেন।

একই সময়ে রিয়াদ জানায়, ইরানে হামলা হলে সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

শনিবার ট্রাম্প বলেন, দুটি কারণে তিনি অপারেশন এপিক ফিউরি চালু করেন। প্রথমত, জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা ভেঙে পড়ে। দ্বিতীয়ত, আগের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্গঠনের চেষ্টা শুরু হয়েছিল।

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানিরা কখনও এগিয়ে আসে, আবার সরে যায়। এতে বুঝেছি তারা আসলে চুক্তি চায় না।

তিনি আরও জানান, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে ইরান-সম্পর্কিত হামলার একটি তালিকা প্রস্তুত করতে তিনি নির্দেশ দেন এবং দেখেন প্রায় প্রতি মাসেই তারা কোনো না কোনো সহিংস ঘটনায় জড়িত ছিল। -ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন