ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি চলছে

  • আপডেট সময়: ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি চলছে। রোববার (২ আগস্ট) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা

রায়ে মামলার আসামি বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি মারা যান।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন।

রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া সাতজনের সাজা কমানো হয় এবং ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

যাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয় তারা হলেন- নূরুল ইসলাম সরকার, নূরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। এ ছাড়া টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তারা হলেন- মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম এবং মশিউর রহমান ওরফে মনু।

এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান এবং দুলাল মিয়া।

একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস পান মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী এবং জাহাঙ্গীর। পরে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি চলছে

আপডেট সময়: ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি চলছে। রোববার (২ আগস্ট) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা

রায়ে মামলার আসামি বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি মারা যান।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন।

রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া সাতজনের সাজা কমানো হয় এবং ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

যাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয় তারা হলেন- নূরুল ইসলাম সরকার, নূরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। এ ছাড়া টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তারা হলেন- মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম এবং মশিউর রহমান ওরফে মনু।

এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান এবং দুলাল মিয়া।

একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস পান মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী এবং জাহাঙ্গীর। পরে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন।