লোকসমাচার ডেস্ক : দেশে ডেঙ্গু ভয়াবহরূপ ধারণ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর ছোট-বড় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় এখন যত রোগী ভর্তি, তার ৬০-৮০ শতাংশই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন হবিগঞ্জের সিভিল সার্জনও।
ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ভুক্তভোগীরাই জানেন। ভুক্তভোগীদের একজন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এই জ্বর কারো হোক সেটি চান না অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করব, এই ডেঙ্গু জ্বর যেন তিনি কাউকে না দেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘গুড প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ফোরাম’ অনুষ্ঠানের সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে গেল ৭ জুলাই অর্থমন্ত্রী সংসদে তার অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেছিলেন, গত ১৩ জুন প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করি। কিন্তু সেদিনটি ছিল আমার জীবনের চরম কষ্টের দিন। কারণ এর তিনদিন আগে অর্থাৎ ১০ জুন ডেঙ্গু জ্বরে ভয়ানকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং হাসপাতালে ভর্তি হই। এ অসুস্থতা নিয়েই আমি গত ১৩ জুন সংসদে আসি। আমার বিশ্বাস ছিল, আমি প্রস্তাবিত বাজেটটি উত্থাপন করতে পারব। কিন্তু আমি যা ভেবেছিলাম বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অধিবেশন শুরুর আগে যখন সংসদে প্রবেশ করি তখন থেকে পরবর্তী ৭-৮ মিনিট আমি সম্পূর্ণভাবে ব্ল্যাংক ছিলাম।
তিনি আরও বলেন, আমার কোনো কিছুই মনে পড়ে না। আমি কোনো রকমে গিয়ে আমার আসনে বসলাম। তখন আমার কেবল মনে হচ্ছিল প্রবল এক ভূমিকম্প পৃথিবীতে আঘাত হেনেছে। সেই ভূমিকম্পের কারণেই যেন ক্ষণে ক্ষণে আমার কম্পন হচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল আমি সিট থেকে পড়ে যাচ্ছি। আমি তখন মনে মনে দোয়া পড়তে শুরু করলাম।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল বুধবারও বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ভর্তি হয় ১৪৫ জন।























