নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের দোসর ব্যাংক কর্মচারী শহীদুল হকের সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মোহাম্মদ শহীদুল হক, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি সেনপাড়া শাখা, মিরপুর-১০ এর একজন কর্মচারী। দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামে তার জমি রয়েছে। এছাড়া টঙ্গী থানার গাজীপুরে বাড়ী, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা সদরে দুইতলা বাড়ী রয়েছে, যাহা ‘আশা’ নামক এনজিও-র নিকট ভাড়া দেওয়া আছে। ঢাকায় রূপনগর থানার আরিফাবাদ হাউজিং-এ দুইটি ফ্ল্যাট নং ৪এ এবং ৫এ, বাড়ী নং জি-৪, রোড নং-১, আরিফাবাদ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেডেও তার মালিকানা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০১৯-২০২০ সালে ১,০০,০০,০০০.০০ (এক কোটি টাকা) মূল্যে সানজিদ মানি এক্সচেঞ্জ ক্রয় করে। যাহার মালিকগণ হলেন: ১. মোহাম্মদ শহীদুল হক, ২. শহীদুল হকের ছেলে পীর মোহাম্মদ পিয়াস এবং ৩. ভাতিজা মোহাম্মদ হেলাল।
এছাড়া ২০১১ইং সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত অবস্থায় ১৬ই ডিসেম্বর মুদ্রা পাচারে ধরা পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। তথৎকালীন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা পুলিশের ডিআইজি হেমায়েত উদ্দীনের সহায়তায় মামলা ধামাচাপা দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। লঘু শাস্তি হিসাবে কুলাউড়ায় বদলি করা হয়। সে নিয়মিতভাবে ডিআইজি হেমায়েত উদ্দীন, সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান এবং শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২২ সময়ের ভিসির মুদ্রা পাচার করে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০-২০১১ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা সদরে পুলিশের ডিআইজি হেমায়েত উদ্দীনের সহায়তায় মন্দিরসহ হিন্দুদের জমি দখল করে প্লট আকারে বিক্রি করে।
অর্থের বিনিময়ে ব্যাংক ঋণ বিতরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অগ্রণী ব্যাংকের সেনপাড়া শাখা এবং গাবতলী শাখা থেকে গ্রিনফিল্ড স্কুলের শিক্ষক কর্মচারীদের নামে যে পার্সোনাল লোন বিতরণ করা হয়েছে তার প্রকৃত উপকারভোগী স্কুলের মালিক। করোনা কালীন প্রণোদনা বিতরণেও ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্যের সঙ্গে সে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ব্যাংক হিসাবের অস্বাভাবিক লেনদেন তদন্ত করলে তার ব্যাপক আকারে দুর্নীতির তথ্য উদঘাটিত হবে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।


























