লোকসমাচার ডেস্ক:বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ধান সংগ্রহকালে বিভিন্ন অসাধু কর্মকর্তা কৃষকদের ওজনে ঠকান। এই ধরনের কার্যক্রমে কোনো অভিযোগ পেলে সেসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে যশোর খাদ্য গুদামে চলতি বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এবারে সরকারের বেঁধে দেওয়া ধানের দাম সচরাচর কোনো সরকারই দেয় না দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া ধানের দাম প্রতি কেজি ৩৬ টাকা; এটা ভালো দাম। সচরাচর সরকার এই দাম দেয় না। এই দামের ফলে কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাবে; অপরদিকে এই খাদ্য অধিদপ্তরও তার প্রয়োজনীয় ধান ও চাল সংগ্রহ করতে পারবে। যার প্রভাবে বাজার স্থিতিশীল করতে সম্ভব হবে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইরান আমেরিকা যুদ্ধে বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহ চ্যাঞ্জেলের মধ্যে পড়েছিল। বাংলাদেশও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল। তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক সাহসী সিদ্ধান্তে জনগণের সহযোগিতায় সেই পরিস্থিতি মেকাবেলা সফলভাবে করতে পেরেছি। সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল, প্রয়োজনে গাড়ির জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখে কৃষকের সেচের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। আমরা নানা সংকটেও কৃষকের বিদ্যুৎ জ্বালানি কৃষকের ধানক্ষেতে পৌঁছে দিতে সমর্থ হয়েছি। সরকারের কৃষকবান্ধব এই সিদ্ধান্তের ফলে সারা দেশে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই বোরো ধান দেশের মূল ফসল। এটি ভালো হলে দেশের অর্থনীতি ভালো থাকে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরিয়ার হক প্রমুখ।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা ১৫ হাজার ১৬৬ মেট্রিক টন। সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকেরা ধানের ন্যায্য মূল্য পাবেন।
এদিন দুপুরে যশোর পৌরসভার ৫ ও ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ পৌরসভার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






















