ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামীকাল শুরু বৃত্তি পরীক্ষা, শেষ মুহূর্তের ১০ পরামর্শ

  • আপডেট সময়: ০৮:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামীকাল ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা ১০টি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন।

১. প্রয়োজনীয় উপকরণ গুছিয়ে রাখা: আজ বিকেলেই প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড), কলম, পেনসিল ও জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ফাইলে গুছিয়ে রাখতে হবে। কাল সকালে যেন কোনো তাড়াহুড়ো না হয়।

২. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: শেষ রাতে পড়াশোনা না করে আজ দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্ককে সচল রাখে, যা পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর মনে করতে সাহায্য করে।

৩. কেন্দ্রে পৌঁছানো: যানজট বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পরীক্ষার অন্তত ৩০-৪০ মিনিট আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখতে হবে।

৪. ওএমআর (OMR) শিট পূরণে সতর্কতা: রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোনো ভুল হলে ঘাবড়ে না গিয়ে দায়িত্বরত শিক্ষককে জানাতে হবে।

৫. প্রশ্নপত্র পড়া: হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর ৫ মিনিট সময় নিয়ে পুরোটা পড়ে নিতে হবে। কোন প্রশ্নগুলো আগে উত্তর দেওয়া যাবে তা মনে মনে ছক করে নিলে সময় বাঁচে।

৬. সহজ প্রশ্নের উত্তর আগে দেওয়া: যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে, সেগুলো আগে লিখতে হবে। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পরে কঠিন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

৭. সময়ের সঠিক ব্যবহার: কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রেখে উত্তর করতে হবে।

৮. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: উত্তরপত্রে কাটাকাটি বা ঘষামাজা করা এড়িয়ে চলতে হবে।হাতের লেখা স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন থাকলে পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসা সহজ হয়।

৯. কোনো প্রশ্ন ছেড়ে না আসা: প্রতিটি বিষয়ে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর পাওয়া পাস করার জন্য জরুরি। তাই কোনো প্রশ্ন পুরোপুরি ছেড়ে না এসে প্রাসঙ্গিক কিছু লিখে আসার চেষ্টা করতে হবে।

১০. রিভিশন দেওয়া: পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা শেষ করে পুরো খাতাটি একবার মিলিয়ে নিতে হবে। বিশেষ করে ছোটখাটো ভুল বা রোল নম্বর ঠিক আছে কি না তা পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

আগামীকাল শুরু বৃত্তি পরীক্ষা, শেষ মুহূর্তের ১০ পরামর্শ

আপডেট সময়: ০৮:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামীকাল ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা ১০টি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন।

১. প্রয়োজনীয় উপকরণ গুছিয়ে রাখা: আজ বিকেলেই প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড), কলম, পেনসিল ও জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ফাইলে গুছিয়ে রাখতে হবে। কাল সকালে যেন কোনো তাড়াহুড়ো না হয়।

২. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: শেষ রাতে পড়াশোনা না করে আজ দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্ককে সচল রাখে, যা পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর মনে করতে সাহায্য করে।

৩. কেন্দ্রে পৌঁছানো: যানজট বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পরীক্ষার অন্তত ৩০-৪০ মিনিট আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখতে হবে।

৪. ওএমআর (OMR) শিট পূরণে সতর্কতা: রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোনো ভুল হলে ঘাবড়ে না গিয়ে দায়িত্বরত শিক্ষককে জানাতে হবে।

৫. প্রশ্নপত্র পড়া: হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর ৫ মিনিট সময় নিয়ে পুরোটা পড়ে নিতে হবে। কোন প্রশ্নগুলো আগে উত্তর দেওয়া যাবে তা মনে মনে ছক করে নিলে সময় বাঁচে।

৬. সহজ প্রশ্নের উত্তর আগে দেওয়া: যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে, সেগুলো আগে লিখতে হবে। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পরে কঠিন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

৭. সময়ের সঠিক ব্যবহার: কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রেখে উত্তর করতে হবে।

৮. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: উত্তরপত্রে কাটাকাটি বা ঘষামাজা করা এড়িয়ে চলতে হবে।হাতের লেখা স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন থাকলে পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসা সহজ হয়।

৯. কোনো প্রশ্ন ছেড়ে না আসা: প্রতিটি বিষয়ে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর পাওয়া পাস করার জন্য জরুরি। তাই কোনো প্রশ্ন পুরোপুরি ছেড়ে না এসে প্রাসঙ্গিক কিছু লিখে আসার চেষ্টা করতে হবে।

১০. রিভিশন দেওয়া: পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা শেষ করে পুরো খাতাটি একবার মিলিয়ে নিতে হবে। বিশেষ করে ছোটখাটো ভুল বা রোল নম্বর ঠিক আছে কি না তা পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে।