ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে আলোর মুখ দেখছে পাবনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

  • আপডেট সময়: ০৮:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পাবনায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আলোর মুখ দেখার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে পাবনা জেলার আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাবনা-৫ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস নির্বাচনে পাবনায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে নিয়মিত যোগযোগ ও দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি অব্যাহত রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখন প্রাতিষ্ঠানিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে।

পাবনা একটি কৃষি প্রধান জেলা। জেলাটিতে পেঁয়াজ, চাল, গম, সবজি, ডাল ও দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যাপক উৎপাদন হয়। ফলে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার এবং দক্ষ কৃষিবিদ তৈরিতে তা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন,পাবনার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি আধুনিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখে আসছে। নির্বাচনের সময় আমি সাধারণ মানুষকে কথা দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা

মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি। মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা পাবনাবাসীর স্বপ্নের প্রথম বড় জয়। এটি দ্রুত বাস্তবায়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

এ ব্যাপারে দোতলা কৃষি ব্যবস্থাপনার আবিষ্কারক কৃষিবিদ জাফর সাদেক বলেন, ১৯৮০ সাল থেকে পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে এটির অগ্রগতি দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক অগ্রগতির খবরটি পাবনার মত কৃষিভিত্তিক জেলার জন্য সুখবর। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি হলে কেবল শিক্ষা নয়, সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ অঞ্চলে জমি ও অবকাঠামোগত সুযোগ তৈরি করা সহজ হবে।

ইউজিসি’র সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন দ্রুত শেষ করে জমি অধিগ্রহণ ও আইন প্রণয়নের কাজ ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

অবশেষে আলোর মুখ দেখছে পাবনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট সময়: ০৮:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পাবনায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আলোর মুখ দেখার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে পাবনা জেলার আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাবনা-৫ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস নির্বাচনে পাবনায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে নিয়মিত যোগযোগ ও দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি অব্যাহত রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখন প্রাতিষ্ঠানিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে।

পাবনা একটি কৃষি প্রধান জেলা। জেলাটিতে পেঁয়াজ, চাল, গম, সবজি, ডাল ও দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যাপক উৎপাদন হয়। ফলে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার এবং দক্ষ কৃষিবিদ তৈরিতে তা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন,পাবনার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি আধুনিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখে আসছে। নির্বাচনের সময় আমি সাধারণ মানুষকে কথা দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা

মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি। মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা পাবনাবাসীর স্বপ্নের প্রথম বড় জয়। এটি দ্রুত বাস্তবায়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

এ ব্যাপারে দোতলা কৃষি ব্যবস্থাপনার আবিষ্কারক কৃষিবিদ জাফর সাদেক বলেন, ১৯৮০ সাল থেকে পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে এটির অগ্রগতি দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক অগ্রগতির খবরটি পাবনার মত কৃষিভিত্তিক জেলার জন্য সুখবর। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি হলে কেবল শিক্ষা নয়, সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ অঞ্চলে জমি ও অবকাঠামোগত সুযোগ তৈরি করা সহজ হবে।

ইউজিসি’র সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন দ্রুত শেষ করে জমি অধিগ্রহণ ও আইন প্রণয়নের কাজ ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন।