ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ চেয়েছে, দাবি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

  • আপডেট সময়: ০৯:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চেয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্রিজ ও তেলক্ষেত্রে হামলা চালিয়ে দেশটিকে অকেজো করে দিতে পারতেন। কিন্তু ইরান যুদ্ধবিরতি চাওয়ায় তিনি তাদের প্রতি ‘ক্ষমা’ প্রদর্শন করেছেন।

হেগসেথ বলেছেন, “ইরান ব্যাপক চাপের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যদি তারা আমাদের শর্ত প্রত্যাখ্যান করত তাহলে পরবর্তী টার্গেট হতো তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তাদের ব্রিজ, তেল এবং জ্বালানি অবকাঠামো।”

“এগুলো ধ্বংস করলে পুনর্গঠন করতে ইরানের কয়েক দশক সময় লাগত। কিন্তু দেশটির সরকারের নেতারা বুঝতে পেরেছে চুক্তিই ভালো।”

“ইরানের পুরো অর্থনীতিকে চূর্ণ করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছিল। কিন্তু তিনি ক্ষমাকে বেঁছে নিয়েছেন।”

এদিকে গতকাল রাতে ট্রাম্প ইরানে ব্যাপক হামলার হুমকি দেন। তিনি ইরানকে চুক্তি করতে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বেধে দেন। কিন্তু এই সময়সীমা শেষ হওয়ার দুই ঘন্টা আগে তিনি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।

এরপর ইরানও এটি মানার ঘোষণা দেয়। দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল এখনো কোনো হামলা চালায়নি।

সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ইরান যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ চেয়েছে, দাবি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

আপডেট সময়: ০৯:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চেয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্রিজ ও তেলক্ষেত্রে হামলা চালিয়ে দেশটিকে অকেজো করে দিতে পারতেন। কিন্তু ইরান যুদ্ধবিরতি চাওয়ায় তিনি তাদের প্রতি ‘ক্ষমা’ প্রদর্শন করেছেন।

হেগসেথ বলেছেন, “ইরান ব্যাপক চাপের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যদি তারা আমাদের শর্ত প্রত্যাখ্যান করত তাহলে পরবর্তী টার্গেট হতো তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তাদের ব্রিজ, তেল এবং জ্বালানি অবকাঠামো।”

“এগুলো ধ্বংস করলে পুনর্গঠন করতে ইরানের কয়েক দশক সময় লাগত। কিন্তু দেশটির সরকারের নেতারা বুঝতে পেরেছে চুক্তিই ভালো।”

“ইরানের পুরো অর্থনীতিকে চূর্ণ করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছিল। কিন্তু তিনি ক্ষমাকে বেঁছে নিয়েছেন।”

এদিকে গতকাল রাতে ট্রাম্প ইরানে ব্যাপক হামলার হুমকি দেন। তিনি ইরানকে চুক্তি করতে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বেধে দেন। কিন্তু এই সময়সীমা শেষ হওয়ার দুই ঘন্টা আগে তিনি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।

এরপর ইরানও এটি মানার ঘোষণা দেয়। দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল এখনো কোনো হামলা চালায়নি।

সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি