ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির মৃত্যুসংবাদ পড়তে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন উপস্থাপক

  • আপডেট সময়: ১১:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ১৩৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুসংবাদ পাঠ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক উপস্থাপক।

সরাসরি সম্প্রচারে বিবৃতি পড়ার সময় তার কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে; চোখের পানি মুছতে দেখা যায় তাকে। ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

স্থানীয় সময় রোববার (১ মার্চ) ভোরে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর ঘোষণা দেয়। এর আগের দিন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরু হয় বলে জানানো হয়েছিল।

খামেনির মৃত্যুতে ইরান সরকার ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান সীমিত করা এবং দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া ও স্মরণসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তার জীবন, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার চলছে।

এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু খামেনির নিহত হওয়ার দাবি জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে একই দাবি করেন।

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি, মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।’

ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।’

এদিকে খামেনির মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

খামেনির মৃত্যুসংবাদ পড়তে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন উপস্থাপক

আপডেট সময়: ১১:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুসংবাদ পাঠ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক উপস্থাপক।

সরাসরি সম্প্রচারে বিবৃতি পড়ার সময় তার কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে; চোখের পানি মুছতে দেখা যায় তাকে। ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

স্থানীয় সময় রোববার (১ মার্চ) ভোরে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর ঘোষণা দেয়। এর আগের দিন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরু হয় বলে জানানো হয়েছিল।

খামেনির মৃত্যুতে ইরান সরকার ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান সীমিত করা এবং দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া ও স্মরণসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তার জীবন, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার চলছে।

এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু খামেনির নিহত হওয়ার দাবি জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে একই দাবি করেন।

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি, মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।’

ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।’

এদিকে খামেনির মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।