স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের মনিরামপুর থানার পুলিশের এএসআই শহিদুল ইসলাম ও তার সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের ইব্রাহিমকে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন অতঃপর রহস্যজনক ভাবে অতিরিক্ত আরো দুই জনের নামে থানায় মামলা রেকর্ড।
জানা যায়,গত ১০ই জানুয়ারি শুক্রবার দুপুর একটার সময় শহিদুল ইসলাম ও তার চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মাদক সম্রাট ইব্রাহিমকে ৩৫ পিস ইয়াবা সহ আটক করেন। একই সময়ে যশোর সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ ও তার বন্ধু মোহাম্মদ রুবে আরিফ আজিজ রুবেল চুড়ামন কাঠি গ্রামের মৃত নুরুল আজিজের ছেলে রুবেল কালো রংয়ের হিরো মোটরসাইকেলে চেপে আত্মীয় বাড়ি যাচ্ছিলেন, আসাদের পকেটে ২২৪৭৫ টাকা ছিল। এ সময় ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের বিট পুলিশ এএসআই শহিদুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীয়ো টিম আসাদ দেরকে তাড়া করে তাড়া খেয়ে গাড়ির থেকে তারা পড়ে যায় আর পুলিশ তাদের ধরে ফেলে পরে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চাউর করতে থাকে এবং মোটা অংকের টাকা দাবি করতে থাকে আর বলতে থাকে চাহিত অর্থ না দিলে,কাটাখালীর ইব্রাহিমের নিকট থেকে আমাদের উদ্ধারকৃত ৩৫ পিস ইয়াবার মধ্যে একজনের নিকট থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার অন্য জনকে বহনকারী দেখিয়ে মামলা দিয়ে আদালতে চালান দিব।
আরও জানাযায়,পুলিশের এএসআই শহিদুল কে মোটা অংকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসাদ দের উপর বিধি বাম।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে পুলিশের এএসআই শহিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রতিনিধিকে জানান গত শুক্রবার বেলা একটার সময় গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকুরিয়াতে অবস্থান করি।
এমন সময় একজন আরোহীসহ চালক কালো রংয়ের হিরো মোটরসাইকেল চেপে রাজারহাটের দিক থেকে ঢাকুরিয়ার গমন পথে ধাওয়া করলে ওরা পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু আমরা তাদের আটক করতে সক্ষম হই,তারা মাদক ব্যবসায়ী তাদের নিকট মাদক বিক্রির ২২ হাজার ৪৭৫ টাকা নগদ টাকা পাওয়া যায়,আমার কাছে গোপন সংবাদ ছিল আসাদের নিকট শতশত ইয়াবা আছে। এ সময় পুলিশকে প্রশ্ন করে প্রতিনিধি আটক করে আপনি তাদের থেকে কত পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছেন উত্তরে তিনি বলেন ১ পিস ইয়াবাও তার নিকট থেকে উদ্ধার হয়নি কারণ হিসেবে জানান, পুলিশের উপস্থিতিতি টের পেয়ে তারা সকল ইয়াবা খালে ফেলে দিয়েছে। পুলিশকে পরবর্তী প্রশ্ন করা হয় তাহলে উদ্ধারকৃত ২২৪৭৫ টাকা যে ইয়াবা বিক্রির টাকা বুঝলেন কিভাবে? আসাদ এবং রুবেল কে আটক করে যখন তাদের নিকট থেকে কোনো ইয়াবা পান নি স্বিকার করে, আসাদের নিকট থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং জুয়েল কে বহনকারী হিসাবে মামলার আসামি বানালেন কিভাবে উত্তরে কর্তব্যরত পুলিশের এএসআই দায়সারা গল্প শোনাতে থাকে।
সরজমিনে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান গত শুক্রবার বেলা একটার দিকে মোটরসাইকেলের উপর একজন আরোহী চালক সহ পুলিশের তাড়া খেয়ে একপর্যায়ে তারা পড়ে যায় এবং পুলিশ তাদের ধরে ফেলে এ সময় পুলিশ তাদের নিকট থেকে ২২ হাজার ৪৭৫ টাকা নগদ উদ্ধার করে শত শত মানুষের সামনে। পুলিশ তাদের বলতে থাকে এই টাকা ইয়াবা বিক্রি করে নিয়ে এসেছিস। ধৃত ব্যক্তিরা আকুতি মিনতি করতে থাকে আর বলতে থাকে স্যার আমাদের ছেড়ে দেন আমরা মাদক ব্যবসায়ী না আমরা আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছি পুলিশ তাদের কোন কথা না শুনে তাদের থানায় নিয়ে যায় পরবর্তীতে শোনা যায় হরিদাস কাঠি ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের মাদক সম্রাট ইব্রাহিমকে ৩৫ পিস ইয়াবা সহ আটক করে তার নামে ১৫ পিস এবং আসাদের নামে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখায় এবং মাদক বহনকারী হিসেবে মোঃ আরিফ আজিজ রুবেলকে আসামি করে মনিরামপুর থানায় মামলা রেকর্ড হয় এবং পরদিন বিকালে বিজ্ঞ আদালতে আসামিদের চালান করেন।

























