ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান!

  • আপডেট সময়: ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৯
  • ১৩৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িযে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে ‘ফরওয়ার্ড বেস’গুলিতে যুদ্ধের জন্য রসদ মজুত করছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

সীমান্তের ওপারে লাদাখ লাগোয়া স্কারদু বাহিনী ঘাঁটিতে চীনের সাথে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ ফাইটার জেট পাঠাচ্ছে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী। ভারতীয় মিডিয়ায় এ খবর প্রকাশ করেছে। তবে পাকিস্তানি মিডিয়ায় এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় মিডিয়ার খবর,পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের লাদাখ সীমান্ত লাগোয়া পাক সেনাঘাঁটিগুলিতে সক্রিয়তা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে।

গত শনিবার থেকেই স্কারদু বিমানঘাঁটিতে একাধিকবার অবতরণ করেছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সি-১৩০ পণ্য পরিবহণকারী বিমান।

ভারতীয় গোয়েন্দারা মনে করছেন, ওই ঘাঁটিগুলো থেকে বড়সড় বিমান হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে পাক বিমান বাহিনী। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে, পাকিস্তান সেনার গতিবিধি বাড়লেও চিন্তার কিছু নেই।

পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সমস্ত গতিবিধি ভারতীয় রাডারে স্পষ্ট ধরা পড়ছে। ফলে কোনো কিছু করলে পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেয়া হবে।

ভারতীয় মিডিয়ার খবরে আরো বলা হয়, ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দাদের তরফে। এর মধ্যে শনিবার রাত থেকে কাশ্মীর সীমান্তে ইমরান সরকার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-সহ প্রচুর সেনা সদস্য সদস্য পাঠাচ্ছে বলে জানা গেল।

রোববার টুইট করে মারাত্মক এই দাবি করলেন পাকিস্তানের এক সাংবাদিক হামিদ মীর। তার দাবি, ‘‘কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান সরকার সেনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে বলে খবর দিয়েছেন তাঁ কাশ্মীরি বন্ধুরা।

গতকাল রাত থেকেই প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র ও কামান নিয়ে পাকিস্তানের সেনাকর্মীরা কাশ্মীর সীমান্তে জড়ো হচ্ছে। আর তাদের দেখে পাকিস্তানের পতাকা নাড়িয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে স্থানীয় কাশ্মীরি। মুখে স্লোগান দিচ্ছে – কাশ্মীর বন গ্যায়া পাকিস্তান।’’

এই টুইটের কথা প্রকাশ্যে আসতেই ভারতের পক্ষ থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়। বাড়ানো হয়েছে সেনা জওয়ানদের সংখ্যাও।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান!

আপডেট সময়: ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িযে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে ‘ফরওয়ার্ড বেস’গুলিতে যুদ্ধের জন্য রসদ মজুত করছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

সীমান্তের ওপারে লাদাখ লাগোয়া স্কারদু বাহিনী ঘাঁটিতে চীনের সাথে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ ফাইটার জেট পাঠাচ্ছে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী। ভারতীয় মিডিয়ায় এ খবর প্রকাশ করেছে। তবে পাকিস্তানি মিডিয়ায় এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় মিডিয়ার খবর,পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের লাদাখ সীমান্ত লাগোয়া পাক সেনাঘাঁটিগুলিতে সক্রিয়তা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে।

গত শনিবার থেকেই স্কারদু বিমানঘাঁটিতে একাধিকবার অবতরণ করেছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সি-১৩০ পণ্য পরিবহণকারী বিমান।

ভারতীয় গোয়েন্দারা মনে করছেন, ওই ঘাঁটিগুলো থেকে বড়সড় বিমান হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে পাক বিমান বাহিনী। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে, পাকিস্তান সেনার গতিবিধি বাড়লেও চিন্তার কিছু নেই।

পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সমস্ত গতিবিধি ভারতীয় রাডারে স্পষ্ট ধরা পড়ছে। ফলে কোনো কিছু করলে পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেয়া হবে।

ভারতীয় মিডিয়ার খবরে আরো বলা হয়, ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দাদের তরফে। এর মধ্যে শনিবার রাত থেকে কাশ্মীর সীমান্তে ইমরান সরকার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-সহ প্রচুর সেনা সদস্য সদস্য পাঠাচ্ছে বলে জানা গেল।

রোববার টুইট করে মারাত্মক এই দাবি করলেন পাকিস্তানের এক সাংবাদিক হামিদ মীর। তার দাবি, ‘‘কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান সরকার সেনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে বলে খবর দিয়েছেন তাঁ কাশ্মীরি বন্ধুরা।

গতকাল রাত থেকেই প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র ও কামান নিয়ে পাকিস্তানের সেনাকর্মীরা কাশ্মীর সীমান্তে জড়ো হচ্ছে। আর তাদের দেখে পাকিস্তানের পতাকা নাড়িয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে স্থানীয় কাশ্মীরি। মুখে স্লোগান দিচ্ছে – কাশ্মীর বন গ্যায়া পাকিস্তান।’’

এই টুইটের কথা প্রকাশ্যে আসতেই ভারতের পক্ষ থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়। বাড়ানো হয়েছে সেনা জওয়ানদের সংখ্যাও।