ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি নারীদের বিদেশ ভ্রমণে পুরুষের অনুমতি বাতিল

  • আপডেট সময়: ০২:২৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০১৯
  • ১৬৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : সৌদি আরবের নারীরা এখন থেকে কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে পারবেন। শুক্রবার এক রাজকীয় ফরমানে এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে ২১ বছরের বেশি বয়সী যে কোনো নারী কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমোদন ছাড়াই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এর ফলে সৌদি আরবে এখন নারীদের অনেকটা পুরুষের সমকক্ষ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।

রাজকীয় ফরমানে নারীদের শিশুর জন্মের নিবন্ধন এবং বিয়ে করা বা বিয়ে বিচ্ছেদের অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। এছাড়া নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে ঐ ফরমানে।

নতুন এই আইনে সব নাগরিকেরই কর্মসংস্থানের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং লিঙ্গ, বয়স বা শারীরিক অক্ষমতার ভিত্তিতে তাদের সাথে কোনো ধরণের বৈষম্য তৈরি করার সুযোগ নেই।

সৌদি আরবে এতোদিন পাসপোর্ট বানানো বা দেশের বাইরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নারীদের স্বামী, পিতা বা যে কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক ছিল।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কিছুদিন আগে নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়ে বাধ্যবাধকতা শিথিল করেন।

২০১৬ সালে যুবরাজ একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে সৌদি আরবের অর্থনীতি পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হয়।

সৌদি শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণের হার ২২% থেকে ৩০% এ উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

সৌদি নারীদের বিদেশ ভ্রমণে পুরুষের অনুমতি বাতিল

আপডেট সময়: ০২:২৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : সৌদি আরবের নারীরা এখন থেকে কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে পারবেন। শুক্রবার এক রাজকীয় ফরমানে এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে ২১ বছরের বেশি বয়সী যে কোনো নারী কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমোদন ছাড়াই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এর ফলে সৌদি আরবে এখন নারীদের অনেকটা পুরুষের সমকক্ষ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।

রাজকীয় ফরমানে নারীদের শিশুর জন্মের নিবন্ধন এবং বিয়ে করা বা বিয়ে বিচ্ছেদের অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। এছাড়া নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে ঐ ফরমানে।

নতুন এই আইনে সব নাগরিকেরই কর্মসংস্থানের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং লিঙ্গ, বয়স বা শারীরিক অক্ষমতার ভিত্তিতে তাদের সাথে কোনো ধরণের বৈষম্য তৈরি করার সুযোগ নেই।

সৌদি আরবে এতোদিন পাসপোর্ট বানানো বা দেশের বাইরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নারীদের স্বামী, পিতা বা যে কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক ছিল।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কিছুদিন আগে নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়ে বাধ্যবাধকতা শিথিল করেন।

২০১৬ সালে যুবরাজ একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে সৌদি আরবের অর্থনীতি পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হয়।

সৌদি শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণের হার ২২% থেকে ৩০% এ উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।