লোকসমাচার ডেস্ক:বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির শেখ নাসের উদ্দিন এবং সেক্রেটারি মল্লিক আবদুল হাইসহ ৮ জন নেতাকর্মীকে গত ২২ জুলাই অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেনদলটিরর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
২৪ জুলাই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতে নায়েবে আমিন বলেন, “বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির জনাব শেখ নাসের উদ্দিন এবং সেক্রেটারি জনাব মল্লিক আবদুল হাইসহ ৮ জন নেতা-কর্মীকে পুলিশের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করার ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
আরও বলা হয়, “পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার পরিকল্পনা করার যে অভিযোগ প্রচার করছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা। অযথা মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করার হীন উদ্দেশ্যেই পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। অথচ তাদের নিকট থেকে নাশকতার পরিকল্পনা করার কোন আলামতই পাওয়া যায়নি। পুলিশ কর্তৃপক্ষের এ ধরনের ন্যক্কারজনক ভূমিকা দুঃখজনক।”
“তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা প্রচারণা চালানো থেকে বিরত থেকে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম. আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেসবার্তায় এইসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রকাশিত খবরের নিন্দা ও প্রতিবাদ
দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. তাসনীম আলম।
২৪ জুলাই প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় আজ ২৪ জুলাই প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রিপোর্টটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে যে সব কথা লেখা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা।”
“জনকণ্ঠের রিপোর্টের ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণর জবাবে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হল, সেনাবাহিনী থেকে পলাতক ও চাকুরীচ্যূত মেজর জিয়াকে আমরা চিনি না। তার সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। কাজেই তার জঙ্গি প্রশিক্ষণের সাথে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রশ্নই আসে না। জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মদদে কোন হত্যাকাÐ সংঘটিত হওয়ার প্রশ্ন অবান্তর। জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যেই দৈনিক জনকণ্ঠে এ মিথ্যা বক্তব্য ছাপা হয়েছে।”
“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে এ ধরনের ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণা চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য আমি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”


























