ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫০’র আগেই অর্ধেক শেষ!

  • আপডেট সময়: ০৩:২১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৩৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে অনেকক্ষণ ২২ গজে থিতু ছিলেন মুমিনুল ও মুশফিক। তবে দলীয় ৯৯ রানে মুমিনুলকে বিদায় করে আবারও বাংলাদেশকে বিপাকে ফেললেন অশ্বিন। তারপরও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন আরেকপ্রান্তে থাকা মুশফিক। তাকে কিছুটা সঙ্গ দিয়ে শেষমেশ ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। তাতে দলীয় ১৫০ রান পূর্ণ হওয়ার আগেেই অর্ধেক উইকেট শেষ বাংলাদেশের।

দিনের শুরুতে উমেশ যাদবের বুলেট গতির একেকটা বল থামাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল ইমরুল কায়েসকে। ওপেনিংয়ে নামার পর থেকেই ব্যাটে-বলের সংযোগটা সেভাবে চোখে পড়েনি। শেষমেশ ব্যক্তিগত ৬ রানের মাথায় থামলেন ইমরুল। সেই যাদবের বলে থার্ড স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে।

সাদমানও একই পথ ধরেন। ইশান্ত শর্মার সুইংয়ে পরাস্ত হন পুরোপুরি। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেন মুমিনুল ও মিঠুন। তাতেও লাভ হয়নি খুব একটা। ১২ রান করে ফিরে যান মিঠুন।

ইন্দোরে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলনেতা মুমিনুল হক। ভারতীয় কন্ডিশনে টেস্টে ভালো করতে হলে বোলিং আক্রমণটা হওয়া চাই যুতসই। বাংলাদেশ অবশ্য কোনো বিভাগে আলাদা করে গুরুত্ব দেয়নি। বোলিংয়ে স্পিন আর পেসের অনুপাতটা ২:২। অর্থাৎ দুইজন পেসারের সঙ্গে দুইজন স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে টিম বাংলাদেশ।

ধারেভারে বাংলাদেশ থেকে অনেকটা এগিয়ে ভারত। আর ম্যাচটা যখন ভারতের ঘরের মাঠে তখন তো আরও ভয়। অতীত পরিসংখ্যানই তেমন কথা বলছে। নিজেদের মাঠে ২০১৩ সালের পর ৩২ টেস্ট খেলে ২৬টিতেই জিতেছে ভারত। যার মধ্যে আবার ৫টা ড্র আর একটা মাত্র হার। তাছাড়া টেস্টে ভারতের বিপক্ষে আগে ৯টি ম্যাচে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। যার মধ্যে ৭টি হেরেছে আর বাকি দুই ম্যাচ হয়েছে ড্র।

হলকার স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ভারত ও বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট আরেকটা কারণে একটু বেশিই স্পেশাল। কেননা এই ম্যাচ দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেক হলো টাইগারদের। সেই সঙ্গে ক্যাপ্টেন হিসেবে মুমিনুলও প্রবেশ করলেন টেস্টের এই নতুন অধ্যায়ে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

১৫০’র আগেই অর্ধেক শেষ!

আপডেট সময়: ০৩:২১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে অনেকক্ষণ ২২ গজে থিতু ছিলেন মুমিনুল ও মুশফিক। তবে দলীয় ৯৯ রানে মুমিনুলকে বিদায় করে আবারও বাংলাদেশকে বিপাকে ফেললেন অশ্বিন। তারপরও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন আরেকপ্রান্তে থাকা মুশফিক। তাকে কিছুটা সঙ্গ দিয়ে শেষমেশ ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। তাতে দলীয় ১৫০ রান পূর্ণ হওয়ার আগেেই অর্ধেক উইকেট শেষ বাংলাদেশের।

দিনের শুরুতে উমেশ যাদবের বুলেট গতির একেকটা বল থামাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল ইমরুল কায়েসকে। ওপেনিংয়ে নামার পর থেকেই ব্যাটে-বলের সংযোগটা সেভাবে চোখে পড়েনি। শেষমেশ ব্যক্তিগত ৬ রানের মাথায় থামলেন ইমরুল। সেই যাদবের বলে থার্ড স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে।

সাদমানও একই পথ ধরেন। ইশান্ত শর্মার সুইংয়ে পরাস্ত হন পুরোপুরি। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেন মুমিনুল ও মিঠুন। তাতেও লাভ হয়নি খুব একটা। ১২ রান করে ফিরে যান মিঠুন।

ইন্দোরে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলনেতা মুমিনুল হক। ভারতীয় কন্ডিশনে টেস্টে ভালো করতে হলে বোলিং আক্রমণটা হওয়া চাই যুতসই। বাংলাদেশ অবশ্য কোনো বিভাগে আলাদা করে গুরুত্ব দেয়নি। বোলিংয়ে স্পিন আর পেসের অনুপাতটা ২:২। অর্থাৎ দুইজন পেসারের সঙ্গে দুইজন স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে টিম বাংলাদেশ।

ধারেভারে বাংলাদেশ থেকে অনেকটা এগিয়ে ভারত। আর ম্যাচটা যখন ভারতের ঘরের মাঠে তখন তো আরও ভয়। অতীত পরিসংখ্যানই তেমন কথা বলছে। নিজেদের মাঠে ২০১৩ সালের পর ৩২ টেস্ট খেলে ২৬টিতেই জিতেছে ভারত। যার মধ্যে আবার ৫টা ড্র আর একটা মাত্র হার। তাছাড়া টেস্টে ভারতের বিপক্ষে আগে ৯টি ম্যাচে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। যার মধ্যে ৭টি হেরেছে আর বাকি দুই ম্যাচ হয়েছে ড্র।

হলকার স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ভারত ও বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট আরেকটা কারণে একটু বেশিই স্পেশাল। কেননা এই ম্যাচ দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেক হলো টাইগারদের। সেই সঙ্গে ক্যাপ্টেন হিসেবে মুমিনুলও প্রবেশ করলেন টেস্টের এই নতুন অধ্যায়ে।