লোকসমাচার,শিমুল হোসেন,বাঘারপাড়া(যশোর) প্রতিনিধি:যশোর বাঘারপাড়ার পাশ দিয়ে বয়ে চলছে চিত্রা নদী। অনেকেই বলে এই নদীর দু্ কূল চিত্র বা ছবির মতো সুন্দর ছিল। বলেই এর নাম হয়েছে চিত্রা।
কিন্তু অবৈধ দখলের কারণে সেই সৌন্দর্য এখন বিলীন হতে চলেছে। যশোর বাঘারপাড়ার পাশে অনেকই নদীর সীমানা দখল করে নানান ধরনের পুকুর গাছপালা ও নদী ভরাট করে করছে মাছ চাষ। প্রায় ৩০ বছর ধরে এভাবে সরকারি খাস জমি দখল করে খেয়ে আসছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদী আছে চিত্রা তার মধ্যে অন্যতম।
যশোর, মাগুরা, ঝিনাহদাহ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় বহু মানুষ এই নদীর তীরে বসবাস করে। তাদের দৈনিন্দ জীবনের সাথেও এই চিত্রা নদী মিশে আছে। নদী পার দখলে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেনা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছে যে যার মতো করে নদীর সীমানা দখল করছে এবং এটি নিয়ে কারো কোনো মাথা ব্যাথাও নেই।
যশোর বাঘারপাড়ায় বড় খুদড়া গ্রামের এলাকা থেকে আমি পূব এবং পশ্চিম বেশ কয়েক ঘন্টা নদীর তীরে ঘুরে বেড়িয়েছি। এই নদীতে তেমন কোনো ভাঙ্গা-গড়াও নেই। নদী যেহেতু ভাঙেনা সে কারণে নদী পাড়ের বাসিন্দারা দখল করতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
তারা মনে করেন প্রসাশাসন চাইলে খুব সহজেই এই নদীর তির দখলমুক্ত করা সম্ভব। প্রশাসন কার্যকারি পদক্ষেপ নিচ্ছেনা বলেই অনেকেই নতুন করে নদীর তীর দখলে উৎসাহিত হচ্ছে।
চিত্রা নদীর উৎপতি যশোর জেলায় বাঘারপাড়া উপজেলায় ১৩০ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য যশোর, মাগুরা, ঝিনাহদাহ হয়ে নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নবগঙ্গা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই চিত্রা নদী দেখতে যশোর শহর থেকে প্রায় ১০ কি মিঃ দূরে।
চিত্রা নদী এখনে নবগঙ্গা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। কিন্তু জে নদী টি চিত্রা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি কে এখন আর নদী বলা জায়না। বড় খুদড়া গ্রামে চিত্রা নদী অনেকটা শুকনো খালে আকাশ ধারণ হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন বিভিন্ন জায়গায় নদী ভরাট হয়ে জাবার কারণে চিত্রা নদী এই করুণ দষা হয়েছে।
যশোর জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানালেন চিত্রা পারে অবৈধ স্থপনার একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
কোথাও কোথাও নদীর বুকে চাষাবাদ হচ্ছে। এই তালিকা তৈরি করে জেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়া হবে।





















