স্টাফ রিপোর্টার:হাউজিং কর্তৃপক্ষের হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন বৈষম্য বিরধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, জনতা ও ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়,যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের অধীন ৫ নম্বর উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের পিছনে গত ৪০ বছর যাবত বসবাসকারী ২৪ টি পরিবারকে চলতি মাসের ২ তারিখে যশোর হাউজিং এর কর্মকর্তা এমাদুল হক তুহিন বিনা নোটিশে মৌখিক প্রচারে জানান আগামী ১১/২/২০২৪ তারিখে আপনারা ঘরবাড়ি ঘরবাড়ি ভেঙে অন্যত্র চলে যাবেন নতুবা দুইদিন পর ১৩ তারিখে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীরা তুহিনের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত নির্দেশনা শুনে তাকে জানাই আমরা এখানে ৪০ বছর যাবত বসবাস করছি হঠাৎ আপনারা এসে আমাদের চলে যেতে বলবেন আর আমরা চলে যাব তাহলে কোথায় যাব? এগুলো ভেঙে তুলে নিয়ে যেতে গেলেও তো খরচের ব্যাপার আমরা গরীব মানুষ অসহায় মানুষ এই টাকা কোথায় পাবো? তাছাড়া আমাদের এখানকার প্রত্যেক পরিবারের ভিতরে বৃদ্ধ, অসুস্থ,শিশু আছে সবাইকে নিয়ে আমরা এই মুহূর্তে কোথায় যাব। তুহিন সাহেব উনাদের জানাই আপনারা যেখানে আছেন এই প্লটগুলো সব বরাদ্দ হয়ে গেছে,একথা শুনে ভুক্তভোগীরা তাকে বলে আমরা বহুবার এই জায়গা বরাদ্দ নেওয়ার জন্য যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের মৌখিক আবেদন জানিয়েছি ততবারই আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন বরাদ্দ দিবেন, আর এখন আমাদের বঞ্চিত করে অবৈধ কোটায় বিগত আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর এবং মনোনীত লোকদের মাঝে বরাদ্দ দিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করতেছেন আমরাও তো হাউজিং এর নিয়ম অনুযায়ী বরাদ্দ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডর খবর জানতে পেরে ভুক্তভোগীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন কালে।
দেখা যায়,অফিসে দুইজন পিয়ন একজন পাম্প ড্রাইভার ছাড়া কোন কর্মকর্তা অফিসে নাই। আরও জানা যায়,কর্মকর্তারা দুইদিন যাবত অফিসে অনুপস্থিত।
এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন নেতা হাউজিং কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল বাসির কে মুঠো ফোনে কল করে জানতে চান যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের অধীন উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে ৪০ বছর যাবত বসবাস কারীদের বঞ্চিত করে অন্যদের মাঝে প্লট বরাদ্দ দিলেন অন্যদের বরাদ্দ না দিয়ে যাদের উচ্ছেদের চিন্তা করতেছেন তাদের মাঝে বরাদ্দ দিলে সমস্যা কি ছিল। উচ্ছেদ করবেন ঠিক আছে কিন্তু তার পূর্বে নিয়মানুযায়ী দুই তিন মাসের সময় দিয়ে নোটিশ জারি করতে হয় সেটাও তো করেননি। তিনি উত্তর না দিয়ে ছাত্রনেতার সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন।





















