স্টাফ রিপোর্টার:স্বাস্থ্যসেবার নামে প্রতারণার শীর্ষে যশোর শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের আধুনিক হাসপাতাল।
আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ক্যান্সারের রোগী রাবেয়া খাতুন লোকসমাচার কে জানান,তিনি অসুস্থ হলে গত ৯/৮/২০২৪ ইংরেজি তারিখে ঢাকা থেকে আগত ডাঃ এস এম নাজমুল হাসান সাগর কে দেখালে তিনি তাকে ক্যান্সারের বেশ কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষার মাধ্যমে সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে নিশ্চিতভাবে জানান এবং চিকিৎসাও দেন পরবর্তী পরামর্শ হিসাবে রাখেন কেমো দিতে হবে । রাবেয়া খাতুন ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতাল থেকে কেমো দেওয়া সম্পন্ন করেন। উনি প্রতিনিধিকে আরো জানান,উনি জানতে পারেন কেহ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হলে সরকারি ভাবে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে উনি ক্যান্সারের রোগী তা একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রত্যায়ন নিতে হয় সে হিসাবে রাবেয়া খাতুন যশোর আধুনিক হাসপাতালে ডাঃ এস এম নাজমুল হাসান সাগরের কাছে প্রত্যায়ন নিতে আসলে ডাক্তার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট তিনি হেনস্তার স্বীকার হন ।
যশোরের সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়,১০ শয্যার প্রতিটি হাসপাতাল অথবা ক্লিনিকে রোগীপ্রতি ফ্লোর স্পেস থাকতে হবে ন্যূনতম ৮০ বর্গফুট। জরুরি বিভাগ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঝুঁকিমুক্ত অপারেশন থিয়েটার, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি, ওষুধ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি থাকতে হবে। শর্তানুযায়ী তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারি দুজন সেবিকা, তিনজন সুইপার ও ৮০০ বর্গফুট জায়গা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু স্বাস্থ্য নীতিমালা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন যাবত যশোর আধুনিক হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবার নামে দীর্ঘ সময় ধরে তাদের প্রতারণার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়,গত ২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে র্যাবসহ প্রশাসনিক সহযোগিতায় যশোর আধুনিক হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। এসময় উল্লেখিত নানা অনিয়মের অভিযোগে আধুনিক হাসপাতাল সিলগালা ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিদ হোসেন, র্যাবের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি তানভির ফয়সাল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মীর আবু মাউদসহ র্যাব এবং পুলিশ সদস্যরা। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হলেও অজ্ঞাত কারণে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন এখন চুপচাপ আর আধুনিক হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবার নামে তাদের প্রতারনার ব্যবসা দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে আর প্রতারণার স্বিকার হচ্ছে রোগী ও রোগীর লোকজন।





















