ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামীর বিরুদ্ধে কন্যা সন্তানকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ অভিনেত্রীর

  • আপডেট সময়: ০৯:৪২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯
  • ১২২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:অভিনয়শিল্পী মায়ের অভিযোগ, প্রথম পক্ষের মেয়েকে অশ্লীল ছবি দেখাতেন দ্বিতীয় স্বামী। অশালীন ইঙ্গিত করতেন ১৯ বছরের মেয়েকে দেখে। মাতাল হয়ে মারধরও করতেন। এ নিয়ে তোলপাড় ভারতের বিনোদন অঙ্গন। অবশেষে মুখ খুললেন মেয়ে।

গত রোববার দ্বিতীয় স্বামী অভিনেতা অভিনব কোহলির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভারতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। অভিযোগ, অভিনব মাতাল অবস্থায় ঘরে ফিরে মেয়ে পলক তিওয়ারিকে মারধর করেছেন। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে অভিনব নাকি পলককে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি দেখাতে শুরু করেন। অভিনবকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পলকের ওপর শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে যখন পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, তখন মুখ খুলেছেন শ্বেতার মেয়ে পলক তিওয়ারি।

গতকাল পলকের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সৎবাবা অভিনবর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন পলক।

ওই পোস্টে পলক লিখেছেন, ‘আমার কিছু বিষয় স্পষ্ট করে বলার রয়েছে। আমি পলক তিওয়ারি। একাধিকবার গৃহনির্যাতনের শিকার হয়েছি।’

‘আমাকে মারা হলেও এর আগে আমার মাকে কখনোই মারধর করেননি অভিনব কোহলি। যেদিন মা এফআইআর দায়ের করে, সেদিনই মাকে মারধর করা হয়। এই প্রথম,’ যোগ করেন পলক।

মা শ্বেতার পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে পলক তিওয়ারি লিখেছেন, ‘আপনাদের কোনো ধারণাই নেই, দুটি বিয়েতেই আমার মাকে কী পরিমাণ অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। তাই খুব অল্প জেনে তা নিয়ে মন্তব্য বা আলোচনা করার কোনো অধিকার আপনাদের নেই।’ পলক আরো লেখেন, ‘সময় হয়েছে মায়ের পাশে দাঁড়ানোর। তাঁর মতো মনের জোর আমি আর কারো মধ্যে দেখিনি। নিজের চোখে মায়ের সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্ত দেখেছি আমি।’

অভিনবর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রসঙ্গে পলক লিখেছেন, ‘আমাকে শারীরিকভাবে কখনোই নির্যাতন করেননি অভিনব কোহলি বা আপত্তিকর স্পর্শও করেননি। তবে তিনি ধারাবাহিকভাবে আমাকে অশ্লীল কথা বলতেন, বাবা হিসেবে যা একেবারেই অশোভনীয়।’

প্রথম স্বামী রাজা চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৩ সালে অভিনব কোহলির সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন ‘কৌসুতি জিন্দেগি কি’ অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। তাঁদের ঘরে রয়েছে এক পুত্রসন্তান। আর শ্বেতা-রাজার কন্যাসন্তান পলক তিওয়ারি।

এর আগে পলক তিওয়ারির বাবা অভিনেতা রাজা চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেছেন, তিনি একবার শ্বেতা-অভিনবর মালাডের বাড়িতে যান মেয়ে পলকের সঙ্গে দেখা করতে। আর সেখানেই অভিনবর অশ্লীলতা তাঁর চোখে পড়ে। মেয়েকে অশ্লীলভাবে ছোঁয়ার অভিযোগে ওই দিন অভিনবর সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি হয় এবং শেষে তা হাতাহাতির পর্যায়েও পৌঁছায়।

এদিকে, ছেলের সমর্থনে মুখ খুলেছেন অভিনব কোহলির মা। তিনি বলেছেন, পুত্রবধূ শ্বেতা তিওয়ারি বিচ্ছেদ চাইছেন। অভিনব নির্দোষ। ছেলের জামিন আবেদন করেছেন মা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

স্বামীর বিরুদ্ধে কন্যা সন্তানকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ অভিনেত্রীর

আপডেট সময়: ০৯:৪২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:অভিনয়শিল্পী মায়ের অভিযোগ, প্রথম পক্ষের মেয়েকে অশ্লীল ছবি দেখাতেন দ্বিতীয় স্বামী। অশালীন ইঙ্গিত করতেন ১৯ বছরের মেয়েকে দেখে। মাতাল হয়ে মারধরও করতেন। এ নিয়ে তোলপাড় ভারতের বিনোদন অঙ্গন। অবশেষে মুখ খুললেন মেয়ে।

গত রোববার দ্বিতীয় স্বামী অভিনেতা অভিনব কোহলির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভারতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। অভিযোগ, অভিনব মাতাল অবস্থায় ঘরে ফিরে মেয়ে পলক তিওয়ারিকে মারধর করেছেন। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে অভিনব নাকি পলককে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি দেখাতে শুরু করেন। অভিনবকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পলকের ওপর শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে যখন পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, তখন মুখ খুলেছেন শ্বেতার মেয়ে পলক তিওয়ারি।

গতকাল পলকের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সৎবাবা অভিনবর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন পলক।

ওই পোস্টে পলক লিখেছেন, ‘আমার কিছু বিষয় স্পষ্ট করে বলার রয়েছে। আমি পলক তিওয়ারি। একাধিকবার গৃহনির্যাতনের শিকার হয়েছি।’

‘আমাকে মারা হলেও এর আগে আমার মাকে কখনোই মারধর করেননি অভিনব কোহলি। যেদিন মা এফআইআর দায়ের করে, সেদিনই মাকে মারধর করা হয়। এই প্রথম,’ যোগ করেন পলক।

মা শ্বেতার পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে পলক তিওয়ারি লিখেছেন, ‘আপনাদের কোনো ধারণাই নেই, দুটি বিয়েতেই আমার মাকে কী পরিমাণ অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। তাই খুব অল্প জেনে তা নিয়ে মন্তব্য বা আলোচনা করার কোনো অধিকার আপনাদের নেই।’ পলক আরো লেখেন, ‘সময় হয়েছে মায়ের পাশে দাঁড়ানোর। তাঁর মতো মনের জোর আমি আর কারো মধ্যে দেখিনি। নিজের চোখে মায়ের সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্ত দেখেছি আমি।’

অভিনবর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রসঙ্গে পলক লিখেছেন, ‘আমাকে শারীরিকভাবে কখনোই নির্যাতন করেননি অভিনব কোহলি বা আপত্তিকর স্পর্শও করেননি। তবে তিনি ধারাবাহিকভাবে আমাকে অশ্লীল কথা বলতেন, বাবা হিসেবে যা একেবারেই অশোভনীয়।’

প্রথম স্বামী রাজা চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৩ সালে অভিনব কোহলির সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন ‘কৌসুতি জিন্দেগি কি’ অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। তাঁদের ঘরে রয়েছে এক পুত্রসন্তান। আর শ্বেতা-রাজার কন্যাসন্তান পলক তিওয়ারি।

এর আগে পলক তিওয়ারির বাবা অভিনেতা রাজা চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেছেন, তিনি একবার শ্বেতা-অভিনবর মালাডের বাড়িতে যান মেয়ে পলকের সঙ্গে দেখা করতে। আর সেখানেই অভিনবর অশ্লীলতা তাঁর চোখে পড়ে। মেয়েকে অশ্লীলভাবে ছোঁয়ার অভিযোগে ওই দিন অভিনবর সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি হয় এবং শেষে তা হাতাহাতির পর্যায়েও পৌঁছায়।

এদিকে, ছেলের সমর্থনে মুখ খুলেছেন অভিনব কোহলির মা। তিনি বলেছেন, পুত্রবধূ শ্বেতা তিওয়ারি বিচ্ছেদ চাইছেন। অভিনব নির্দোষ। ছেলের জামিন আবেদন করেছেন মা।