স্টাফ রিপোর্টার:স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে(এলজিইডি) সামান্য হিসাব রক্ষক পদে চাকরি করে অঢেল সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার বড় পাথর ঘাটার সাধারণ দিন মজুর মৃত মাহতাবের ছেলে মিজানুর রহমান মিজান।
জানাযায়,গত ৪ বছর আগে বাঘারপাড়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয় থেকে অবসর পাওয়া মিজানুর রহমান চাকরি জীবনে বিভিন্ন অফিসে হিসাব রক্ষক পদে দ্বায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে অফিসের বড় বড় কর্মকর্তা এবং যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে সেই দলের নেতাদের দোসর হয়ে মন যুগিয়ে অসত উপায় অবলম্বন করে মোটা অংকের ঘুষ বানিজ্য করে টেন্ডারের কাজ পাইয়ে দেয়া ত্রুটি পূর্ণ কাজ সঠিক বলে চালিয়ে দেয়া সহ সকল প্রকার দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নামে বেনামে অঢেল সম্পদ, যশোরে কয়েক টা বাড়ি,যশোর সদর উপজেলার গোপালপুরে নামে বেনামে ১০ বিঘা জমি, তার উপর রাইস মিল,সোয়া মিল বাড়ি, ঢাকায় ফ্লাট, টাইলসের ব্যবসা,৫০ লাখ টাকা খরচ করে বড় মেয়েকে প্রাইভেট মেডিকেল থেকে ডাক্তারি পড়ানো আরও এক ছেলেকে লন্ডনে পাঠানো ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করে আর একটা মেয়ের লেখাপড়ায়ও বহু ব্যয়ের পরও তিনি নিজে কোটি কোটি পতি বনে গেছেন এবং উনার বড় বউ,ছেলে, দুই মেয়ের ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকা গচ্ছিত আছে তেমন আছে স্বর্ন সহ বিভিন্ন সম্পদ।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায় মিজানুর রহমানরা ৪ ভাই উনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)তে চাকরি পাওয়ার পর ৩ ভাই কে লেখাপড়া শেখানো ১ ভাই কে শিক্ষক বানানো ঘুষ বানিজ্যর মাধ্যমে আর ১ ভাই কে নিজে অর্থ দিয়ে কেশবপুরের পাঁজিয়া বাজারে ব্যবসায় প্রতিষ্টা করে দেয়া ছোট ভাই কেও অর্থ যোগান দিয়ে স্বাবলম্বী করে দিয়েছেন।প্রতিবেদক সংবাদ সংগ্রহ কালে মুঠোফোনে মিজানুর রহমান মিজানের কাছে জানতে চাই তিনি চাকরি জীবন এত ছোট পদে চাকরি করে এই বিশাল সম্পত্তির মালিক কিভাবে হয়েছেন? উনার টাকা উপার্জনের উৎস কি ছিল? প্রতিনিধির এমন প্রশ্ন শুনে মিজান সাহেব ক্ষিপ্ত হন পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের হুমকির শিকার হন।
অভিযুক্তর এলাকার লোকজন বিস্মিত ভাবে জানান মিজান এ গ্রামে মাহাতাবের ছেলে সে চাকরি পাওয়ার আগে তাদের সম্পদ বলতে কিছুই ছিল না এখন গ্রামে তার ভাই দের কে ধনী করে দিয়েছে, শ্বশুর-শ্বাশুড়ি শালাদের কেও ধনী করে দিয়েছেন তারপর ছেলে মেয়েদের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বানিয়েছে,যশোরে কয়েকটি বাড়ি জমি ঢাকায় ফ্লাট সহ বহু কিছু করেছে যা কিনা সঠিক পথে চাকরি করে কখনও সম্ভব না।





















