ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাকিবকে শায়েস্তা করতেই ফাঁসিয়েছে বিসিবি!

  • আপডেট সময়: ১১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৮৩ জন দেখেছে
Spread the love

বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিষয়টি মানতে পারছেন না অনেক রথী-মহারথীসহ ভক্তরা। ইতোমধ্যে রাহুল দ্রাড়ির বা সাকলাইন মুশতাক সাকিবের পাশে দাড়িয়েছে।তার সঙ্গে যোগ দিলেন কলকাতার লেখক ও সাংবাদিক অমিত গোস্বামী।

সাকিবের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে একটা কলাম লিখেছেন তিনি। সেখানে তিনি এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ভূমিকার আছে বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, সাকিবকে শায়েস্তা করতেই সত্যটা লুকিয়েছে বিসিবি। তারা তামিমকে বাঁচালেও আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ায় সাকিবকে বাঁচায়নি। উল্টো তাকে বিপদে ফেলেছে বোর্ড।

তিনি বলেন, আইসিসির নিয়মে আকসু বা নিজ দেশের বোর্ডকে জুয়াড়ির প্রস্তাবের বিষয়টি জানালেই হবে। যে নিয়মে বেঁচে গেছেন তামিম ইকবাল। আমার ধারণা, তামিমের মতো সাকিবও বোর্ডকে জানিয়েছিলেন মৌখিকভাবে। ফলে এতদিন ওই ঘটনা নিয়ে উচ্চবাচ্য হয়নি। কিন্তু সাকিব যেহেতু সম্প্রতি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেহেতু সাকিবকে শায়েস্তা করতে ওই ইস্যুকে সামনে আনা হয়েছে। না হলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যদি আইসিসিকে জানাতো যে, তারা তামিমের মতো সাকিবের বিষয়টিও জানে, তাহলে হয়তো এত বড় সাজার খড়গ সাকিবের ওপর নেমে আসতো না। এ ক্ষেত্রে বিসিবির ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিৎ।

সাকিব কোন অন্যায় করেনি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু একটি আইনের ধারা ভুলে যাওয়ার কারণে বা অবহেলার কারণে আজ সততার পরিচয় দিয়েও তিনি শাস্তি পেয়েছেন। যদিও আমার কাছে গত কয়েকদিনের বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে যে অচলাবস্থা ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হয়নি যে, সাকিব ভুল করেছেন। অথবা সে আইন ভুলে গিয়েছিলেন। বরং মনে হয়েছে ২০১৭-১৮ সালের ঘটনা আজকে সামনে নিয়ে আসা এবং সাকিবের শাস্তির পেছনে কোন রহস্য আছে। ক্রিকেটারদের যৌক্তিক আন্দোলন নেতৃত্ব দেয়ায় বিসিবির সভাপতিসহ প্রভাবশালীরা তার ওপর ক্ষিপ্ত। সাকিবকে আর কোনো ছাড় না দেয়ার ঘোষণা তার বড় প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, আপনারা যাই বলুন না কেন? সাকিব যদি ভারতের হত তাহলে এই বিড়ম্বনায় তাকে পড়তে হত না বলে মনে করি। এমন কি জগমোহন ডালমিয়া যদি বেঁচে থাকতেন তাহলেও এমন কাণ্ড ঘটত বলে আমার মনে হয় না। তবে মনের মধ্যে একটা প্রত্যয় আছে ডালমিয়ার আসনে এখন সৌরভ, কলকাতা টেস্টের আগে যদি সাকিব নিয়ে ভেলকি দেখান তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কিন্তু সমস্যা হল বিসিবি তো সাকিবের পক্ষে লড়াই করছে না।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

সাকিবকে শায়েস্তা করতেই ফাঁসিয়েছে বিসিবি!

আপডেট সময়: ১১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯
Spread the love

বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিষয়টি মানতে পারছেন না অনেক রথী-মহারথীসহ ভক্তরা। ইতোমধ্যে রাহুল দ্রাড়ির বা সাকলাইন মুশতাক সাকিবের পাশে দাড়িয়েছে।তার সঙ্গে যোগ দিলেন কলকাতার লেখক ও সাংবাদিক অমিত গোস্বামী।

সাকিবের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে একটা কলাম লিখেছেন তিনি। সেখানে তিনি এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ভূমিকার আছে বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, সাকিবকে শায়েস্তা করতেই সত্যটা লুকিয়েছে বিসিবি। তারা তামিমকে বাঁচালেও আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ায় সাকিবকে বাঁচায়নি। উল্টো তাকে বিপদে ফেলেছে বোর্ড।

তিনি বলেন, আইসিসির নিয়মে আকসু বা নিজ দেশের বোর্ডকে জুয়াড়ির প্রস্তাবের বিষয়টি জানালেই হবে। যে নিয়মে বেঁচে গেছেন তামিম ইকবাল। আমার ধারণা, তামিমের মতো সাকিবও বোর্ডকে জানিয়েছিলেন মৌখিকভাবে। ফলে এতদিন ওই ঘটনা নিয়ে উচ্চবাচ্য হয়নি। কিন্তু সাকিব যেহেতু সম্প্রতি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেহেতু সাকিবকে শায়েস্তা করতে ওই ইস্যুকে সামনে আনা হয়েছে। না হলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যদি আইসিসিকে জানাতো যে, তারা তামিমের মতো সাকিবের বিষয়টিও জানে, তাহলে হয়তো এত বড় সাজার খড়গ সাকিবের ওপর নেমে আসতো না। এ ক্ষেত্রে বিসিবির ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিৎ।

সাকিব কোন অন্যায় করেনি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু একটি আইনের ধারা ভুলে যাওয়ার কারণে বা অবহেলার কারণে আজ সততার পরিচয় দিয়েও তিনি শাস্তি পেয়েছেন। যদিও আমার কাছে গত কয়েকদিনের বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে যে অচলাবস্থা ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হয়নি যে, সাকিব ভুল করেছেন। অথবা সে আইন ভুলে গিয়েছিলেন। বরং মনে হয়েছে ২০১৭-১৮ সালের ঘটনা আজকে সামনে নিয়ে আসা এবং সাকিবের শাস্তির পেছনে কোন রহস্য আছে। ক্রিকেটারদের যৌক্তিক আন্দোলন নেতৃত্ব দেয়ায় বিসিবির সভাপতিসহ প্রভাবশালীরা তার ওপর ক্ষিপ্ত। সাকিবকে আর কোনো ছাড় না দেয়ার ঘোষণা তার বড় প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, আপনারা যাই বলুন না কেন? সাকিব যদি ভারতের হত তাহলে এই বিড়ম্বনায় তাকে পড়তে হত না বলে মনে করি। এমন কি জগমোহন ডালমিয়া যদি বেঁচে থাকতেন তাহলেও এমন কাণ্ড ঘটত বলে আমার মনে হয় না। তবে মনের মধ্যে একটা প্রত্যয় আছে ডালমিয়ার আসনে এখন সৌরভ, কলকাতা টেস্টের আগে যদি সাকিব নিয়ে ভেলকি দেখান তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কিন্তু সমস্যা হল বিসিবি তো সাকিবের পক্ষে লড়াই করছে না।