ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাইসেন্স বাদেই সেচ কার্যক্রম, অভিযোগের চার মাসেও ব্যবস্থা নেয়নি বিএডিসি

  • আপডেট সময়: ০৮:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১২৯ জন দেখেছে
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা মাঠে লাইসেন্স না নিয়ে অবৈধ ভাবে সৌর সেচ পাম্প কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবীর বাবুর বিরুদ্ধে। এতে লাইন্সেকৃত দুই কৃষক’র সেচ কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সদর উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিলে বিএডিসিকে বন্ধের নির্দেশ দিলেও চার মাসেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি তারা। বরং দুই কৃষকের এড়িয়ার মধ্যে সেচ পাইপ বসিয়ে সেচ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

ভুক্তভোগী কৃষক মুস্তিফিজুর রহমান বলেন, চলতি বছরে ২৯ ফেব্রুয়ারি বাগডাঙ্গা মৌজার বাগডাঙ্গা খতিয়ানের ৫৬০ দাগ ৭৫ একটি সেচ পাম্পে লাইসেন্স নিয়ে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করি। আমার লাইসেন্স নং ২০২৩-২৪/৩৩৪ সাইজ ০.৫ কিউসেক। কিন্তু একই এড়িয়ার মধ্যে
হুমায়ুন কবির বাবু লাইসেন্স না নিয়ে আমার সেচ পাম্পের ৩৫০ থেকে ৪০০ ফিটের ভিতরে আরো একটি সেচ পাম্প স্থাপন করেছে। এতে করে আমার সেচ প্রকল্পের আওতা কমে গেছে। মাঠে পানি দিতে পারছি না।

আর একজন ভুক্তভোগী কৃষক আমিন উদ্দিন বলেন, আমার ১০ কিউসেক লাইসেন্স নেয়া। আমার এড়িয়ার ৭শ’ ফিটের মধ্যে সেচ কার্যক্রম চালাচ্ছে। ফলে পানির লেয়ার কম পাচ্ছে। এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেশি। দুইজন সাধারণ কৃষক বলেন, আমার আগে ঠিক মতো পানি পেতাম। ফসল চাষ করতে সুবিধা হচ্ছিল। কিন্তু হুমায়ুন কবীর বাবুর সৌর সেচ পাম্প কার্যক্রম চালানোর কারণে পানি পাচ্ছি কম। জমি ভিজাতে সময় লাগছে বেশি এবং খরচ বেড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে হুমায়ুন কবীর বাবু বলেন, আমি সেডের ভিতরে চাষের জন্য বিএডিসি থেকে সৌর প্লান্ট দেয়। সেই সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আমি সেডের ভিতরে চাষ কার্যক্রম পরিচালনা করছিলাম। পরে কৃষকদের কথা ভেবে আমি সেডের বাহিরে সাধারণ কৃষককের জমিতে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করছিলাম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বিএডিসি থেকে কোন লাইসেন্সে নেয়নি। সেডের ভিতরে চাষের পাম্প দিয়ে এতদিন বাহিরে পানি দিয়েছি।
যশোর বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী (সৌর) সোহেল রানা বলেন, হুমায়ুন কবীর বাবু কোন লাইসেন্স দেয় হয়নি। আমি নির্দেশ দিয়েছি পাইপ তুলে নেয়ার জন্য। কিছু দিনের মধ্যে পাইপ তুলে নিবে বাবু।’

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

লাইসেন্স বাদেই সেচ কার্যক্রম, অভিযোগের চার মাসেও ব্যবস্থা নেয়নি বিএডিসি

আপডেট সময়: ০৮:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা মাঠে লাইসেন্স না নিয়ে অবৈধ ভাবে সৌর সেচ পাম্প কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবীর বাবুর বিরুদ্ধে। এতে লাইন্সেকৃত দুই কৃষক’র সেচ কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সদর উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিলে বিএডিসিকে বন্ধের নির্দেশ দিলেও চার মাসেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি তারা। বরং দুই কৃষকের এড়িয়ার মধ্যে সেচ পাইপ বসিয়ে সেচ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

ভুক্তভোগী কৃষক মুস্তিফিজুর রহমান বলেন, চলতি বছরে ২৯ ফেব্রুয়ারি বাগডাঙ্গা মৌজার বাগডাঙ্গা খতিয়ানের ৫৬০ দাগ ৭৫ একটি সেচ পাম্পে লাইসেন্স নিয়ে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করি। আমার লাইসেন্স নং ২০২৩-২৪/৩৩৪ সাইজ ০.৫ কিউসেক। কিন্তু একই এড়িয়ার মধ্যে
হুমায়ুন কবির বাবু লাইসেন্স না নিয়ে আমার সেচ পাম্পের ৩৫০ থেকে ৪০০ ফিটের ভিতরে আরো একটি সেচ পাম্প স্থাপন করেছে। এতে করে আমার সেচ প্রকল্পের আওতা কমে গেছে। মাঠে পানি দিতে পারছি না।

আর একজন ভুক্তভোগী কৃষক আমিন উদ্দিন বলেন, আমার ১০ কিউসেক লাইসেন্স নেয়া। আমার এড়িয়ার ৭শ’ ফিটের মধ্যে সেচ কার্যক্রম চালাচ্ছে। ফলে পানির লেয়ার কম পাচ্ছে। এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেশি। দুইজন সাধারণ কৃষক বলেন, আমার আগে ঠিক মতো পানি পেতাম। ফসল চাষ করতে সুবিধা হচ্ছিল। কিন্তু হুমায়ুন কবীর বাবুর সৌর সেচ পাম্প কার্যক্রম চালানোর কারণে পানি পাচ্ছি কম। জমি ভিজাতে সময় লাগছে বেশি এবং খরচ বেড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে হুমায়ুন কবীর বাবু বলেন, আমি সেডের ভিতরে চাষের জন্য বিএডিসি থেকে সৌর প্লান্ট দেয়। সেই সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আমি সেডের ভিতরে চাষ কার্যক্রম পরিচালনা করছিলাম। পরে কৃষকদের কথা ভেবে আমি সেডের বাহিরে সাধারণ কৃষককের জমিতে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করছিলাম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বিএডিসি থেকে কোন লাইসেন্সে নেয়নি। সেডের ভিতরে চাষের পাম্প দিয়ে এতদিন বাহিরে পানি দিয়েছি।
যশোর বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী (সৌর) সোহেল রানা বলেন, হুমায়ুন কবীর বাবু কোন লাইসেন্স দেয় হয়নি। আমি নির্দেশ দিয়েছি পাইপ তুলে নেয়ার জন্য। কিছু দিনের মধ্যে পাইপ তুলে নিবে বাবু।’