ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিকশাওয়ালা মামার দেয়া অমূল্য ১০ টাকা

  • আপডেট সময়: ০৪:১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০
  • ১৮৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: আজকে জ্যামে বসে থাকতে থাকতে নাহয়ান (আমার একমাত্র ১১ মাসের ছেলে) বিরক্ত হয়ে গেছিল। পরে আমি না পেরে জানালা অর্ধেক খুলে দেই। সেও খুব খুশি। একটু করে মাথা আগায় আর মজা করে।

নাহয়ান অপরিচিত হলেও প্রায় সবার দিকেই তাকিয়ে এমন হাসি দেই যে অন্যপক্ষ ওর সাথে না হেসে কথা বলে পারবে না (মাশাআল্লাহ)। সে পাশের রিকশাওয়ালা মামার সাথে হাসাহাসি, খেলা শুরু করলো।

মামাও যখন বুঝছে আমি মাইন্ড করছি না, তখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে খুব আদর করে কথা বলছিল এবং খেলছিল। আঙুল দিয়ে পয়েন্ট করে, হাই ফাইভ, হ্যান্ড সেক করে। অনেকক্ষণ যাবৎ তাদের ভাব আদান প্রদান চলে। সিগন্যাল যখন ছাড়বে মামা তার হাতে নতুন ১০ টাকার একটা নোট দিয়ে বলে— মজা খাবে এইটা দিয়ে।

আমরা সবাই অপ্রস্তুত হয়ে গেছি। কিন্তু তার চোখ-মুখের আনন্দ দেখে আর না করতে পারিনি। শুধু দোয়া চেয়েছি তার কাছে। আর মন থেকে দোয়া করি— তার পরিবার যেন এক বেলাও অনাহারে না থাকে কোনদিন। প্রায় সময় অনেক বিত্তবানের মনও এত বড় দেখা যায় না। কিন্তু উনি অল্প সময়ে যে ভালবাসা দেখিয়েছেন তা যথার্থই প্রশংসনীয়। সেই টাকাটা যত্ন করে তুলে রাখলাম। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

রিকশাওয়ালা মামার দেয়া অমূল্য ১০ টাকা

আপডেট সময়: ০৪:১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: আজকে জ্যামে বসে থাকতে থাকতে নাহয়ান (আমার একমাত্র ১১ মাসের ছেলে) বিরক্ত হয়ে গেছিল। পরে আমি না পেরে জানালা অর্ধেক খুলে দেই। সেও খুব খুশি। একটু করে মাথা আগায় আর মজা করে।

নাহয়ান অপরিচিত হলেও প্রায় সবার দিকেই তাকিয়ে এমন হাসি দেই যে অন্যপক্ষ ওর সাথে না হেসে কথা বলে পারবে না (মাশাআল্লাহ)। সে পাশের রিকশাওয়ালা মামার সাথে হাসাহাসি, খেলা শুরু করলো।

মামাও যখন বুঝছে আমি মাইন্ড করছি না, তখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে খুব আদর করে কথা বলছিল এবং খেলছিল। আঙুল দিয়ে পয়েন্ট করে, হাই ফাইভ, হ্যান্ড সেক করে। অনেকক্ষণ যাবৎ তাদের ভাব আদান প্রদান চলে। সিগন্যাল যখন ছাড়বে মামা তার হাতে নতুন ১০ টাকার একটা নোট দিয়ে বলে— মজা খাবে এইটা দিয়ে।

আমরা সবাই অপ্রস্তুত হয়ে গেছি। কিন্তু তার চোখ-মুখের আনন্দ দেখে আর না করতে পারিনি। শুধু দোয়া চেয়েছি তার কাছে। আর মন থেকে দোয়া করি— তার পরিবার যেন এক বেলাও অনাহারে না থাকে কোনদিন। প্রায় সময় অনেক বিত্তবানের মনও এত বড় দেখা যায় না। কিন্তু উনি অল্প সময়ে যে ভালবাসা দেখিয়েছেন তা যথার্থই প্রশংসনীয়। সেই টাকাটা যত্ন করে তুলে রাখলাম। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)