ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রমজানের বিশেষ ৩০ আমল

  • আপডেট সময়: ০৫:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
  • ১৫৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইবাদতের বসন্তকাল রমজান। সওয়াবের ভরা মৌসুম রমজান। এ মাস রহমত, বরকত ও নাজাতের। নবীজি (স) বলেন, রমজান বরকতময় মাস, তোমাদের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছে এ মাসে আল্লাহ একটি রাত প্রদত্ত হয়েছে, যা হাজার

মাস থেকে উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে বঞ্চিত হলো আল্লাহর মহাকল্যাণ থেকে (ইবনে মাজাহ)। এ মাসে রয়েছে অনেক আমল। আমরা ৩০টি বিশেষ আমল উপস্থাপন করছি। আমলগুলো কবুল হবে যদি নিচের এই দুই শর্ত পাওয়া যায়। এক. সহি নিয়ত ও ইখলাস। একনিষ্ঠতার সঙ্গে শুধু আল্লাহর জন্য আমল করা। আল্লাহতায়ালা বলেন, আর তাদের কেবল এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ‘ইবাদাত করে তারই জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করে’ (সূরা বাইয়্যেনাহ : ৫)।

দুই. ইবাদাতের ক্ষেত্রে মহানবীর (স) অনুসরণ। কুরআন বলছে, ‘এবং রাসুল তোমাদের জন্য যা নিয়ে এসেছেন তা তোমরা গ্রহণ কর, আর যা থেকে তিনি নিষেধ করেন তা থেকে বিরত হও’ (সূরা হাশর : ৭)।

রমজানের বিশেষ আমলগুলো হলো : ১. রোজা রাখা। রোজা ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। রাসুল (স) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও ইখলাসের সঙ্গে আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার জন্য রমজানের রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে (বুখারি)। ২. নামাজ আদায়। রোজার সঙ্গে যথাসময়ে নামাজ জান্নাতের পথ সুগম করে দেয়। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! কোন আমল জান্নাতের অতি নিকটবর্তী? তিনি বললেন, সময় মতো নামাজ আদায় করা (মুসলিম)। ৩. বেশি বেশি কুরআন পড়া ৪. কুরআন পড়া শেখানো ৫. কুরআন মুখস্থ ৬. কোরআনের তরজমা তাফসির পাঠ। নবীজি (স) এরশাদ করেন, তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর (সুনানে তিরমিজি)।

৭. বরকতময় সাহরি খাওয়া ৮. ইফতারি গ্রহণ ৯. তারাবির নামাজ পড়া ১০. রমজান পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করা। ১১. কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা ১২. তাহাজ্জুদ নামাজরে অভ্যাস গড়ে তোলা ১৩. অধিক হারে দান-সদকাহ করা ১৪. উত্তম চরিত্রের অনুশীলন ১৫. শেষ দশকে ইতিকাফ করা ১৬. দাওয়াত-তাবলিগে সময় দেওয়া ১৭. সমর্থ থাকলে ওমরা পালন করা ১৮. লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করা ১৯. ইফতার করানো ২০. অধিকহারে তাওবা ও ইস্তিগফার করা ২১. আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া, জীবনের সর্বস্তরে বাস্তবায়ন ২২. ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা ২৩. ফিতরা আদায় করা ২৪. অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো ২৫. অপচয় না করা ২৬. আত্মীয়স্বজনদের সম্পর্ক উন্নীত করা ২৭. সব সময় মুখে ঠোঁঠে ও অন্তরে আল্লাহর জিকর করা ২৮. মিসওয়াক করা ২৯. কুরআন বুঝা ৩০. কুরআন অনুযায়ী আমল করা। আল্লাহতায়ালা আমাদের অধিকহারে নেক আমল করার তাওফিক দান করুন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রমজানের বিশেষ ৩০ আমল

আপডেট সময়: ০৫:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ইবাদতের বসন্তকাল রমজান। সওয়াবের ভরা মৌসুম রমজান। এ মাস রহমত, বরকত ও নাজাতের। নবীজি (স) বলেন, রমজান বরকতময় মাস, তোমাদের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছে এ মাসে আল্লাহ একটি রাত প্রদত্ত হয়েছে, যা হাজার

মাস থেকে উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে বঞ্চিত হলো আল্লাহর মহাকল্যাণ থেকে (ইবনে মাজাহ)। এ মাসে রয়েছে অনেক আমল। আমরা ৩০টি বিশেষ আমল উপস্থাপন করছি। আমলগুলো কবুল হবে যদি নিচের এই দুই শর্ত পাওয়া যায়। এক. সহি নিয়ত ও ইখলাস। একনিষ্ঠতার সঙ্গে শুধু আল্লাহর জন্য আমল করা। আল্লাহতায়ালা বলেন, আর তাদের কেবল এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ‘ইবাদাত করে তারই জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করে’ (সূরা বাইয়্যেনাহ : ৫)।

দুই. ইবাদাতের ক্ষেত্রে মহানবীর (স) অনুসরণ। কুরআন বলছে, ‘এবং রাসুল তোমাদের জন্য যা নিয়ে এসেছেন তা তোমরা গ্রহণ কর, আর যা থেকে তিনি নিষেধ করেন তা থেকে বিরত হও’ (সূরা হাশর : ৭)।

রমজানের বিশেষ আমলগুলো হলো : ১. রোজা রাখা। রোজা ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। রাসুল (স) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও ইখলাসের সঙ্গে আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার জন্য রমজানের রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে (বুখারি)। ২. নামাজ আদায়। রোজার সঙ্গে যথাসময়ে নামাজ জান্নাতের পথ সুগম করে দেয়। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! কোন আমল জান্নাতের অতি নিকটবর্তী? তিনি বললেন, সময় মতো নামাজ আদায় করা (মুসলিম)। ৩. বেশি বেশি কুরআন পড়া ৪. কুরআন পড়া শেখানো ৫. কুরআন মুখস্থ ৬. কোরআনের তরজমা তাফসির পাঠ। নবীজি (স) এরশাদ করেন, তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর (সুনানে তিরমিজি)।

৭. বরকতময় সাহরি খাওয়া ৮. ইফতারি গ্রহণ ৯. তারাবির নামাজ পড়া ১০. রমজান পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করা। ১১. কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা ১২. তাহাজ্জুদ নামাজরে অভ্যাস গড়ে তোলা ১৩. অধিক হারে দান-সদকাহ করা ১৪. উত্তম চরিত্রের অনুশীলন ১৫. শেষ দশকে ইতিকাফ করা ১৬. দাওয়াত-তাবলিগে সময় দেওয়া ১৭. সমর্থ থাকলে ওমরা পালন করা ১৮. লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করা ১৯. ইফতার করানো ২০. অধিকহারে তাওবা ও ইস্তিগফার করা ২১. আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া, জীবনের সর্বস্তরে বাস্তবায়ন ২২. ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা ২৩. ফিতরা আদায় করা ২৪. অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো ২৫. অপচয় না করা ২৬. আত্মীয়স্বজনদের সম্পর্ক উন্নীত করা ২৭. সব সময় মুখে ঠোঁঠে ও অন্তরে আল্লাহর জিকর করা ২৮. মিসওয়াক করা ২৯. কুরআন বুঝা ৩০. কুরআন অনুযায়ী আমল করা। আল্লাহতায়ালা আমাদের অধিকহারে নেক আমল করার তাওফিক দান করুন।