স্টাফ রিপোর্টার:যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগরের আয়না কবিরাজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কোন অনুমোদন ছাড়াই দিচ্ছে সকল রোগের চিকিৎসা।
জানা যায়,যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগরের আয়না কবিরাজ জ্বিনের অজুহাত দিয়ে বহু বছর ধরে মানুষের সকল রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি,অনেক টাকার বিনিময়ে নিঃসন্তানদের সন্তান দান,কারো বউ-মেয়ে হারিয়ে গেলে অথবা বাড়ি থেকে চলে গেলে তাকে ফিরিয়ি আনতে পারবে
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে তালাক প্রাপ্ত হলে পুনরায় নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করায়ে দিতে পারবে ইত্যাদি সকল সমস্যার সমাধানে।
ভুক্তভোগী নাম না বলার শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানান,গত জানুয়ারি মাসে তার স্বামীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট হলে লোক মুখে জানতে পারে শ্যামনগরের আয়না কবিরাজের কাছে এই সমস্যার সমাধান হয়। এমন পরামর্শ পেয়ে আয়না কবিরাজের শরণাপন্ন হয়ে নগদ ১০ হাজার টাকা খোয়ায়ে কোনো ফলাফল পায়নি।
ভুক্তভোগী আরেক জন ও জানান,তার বিবাহের কয়েক বছর পার হলেও বহু চিকিৎসা করে কোনো সন্তানাদি না হওয়ায় লোকমুখে জানতে পারে আয়না কবিরাজ জ্বিন হাসিল করে সন্তান না হওয়ার কারণ নির্ণয় করে ঔষধ দিলে সন্তান হবে এ কথা শুনে সে আয়না কবিরাজের কাছে কয়েকবার যেয়ে ৩০ হাজার টাকা খোয়ায়ে তার কোন সন্তানাদি হয়নি।
প্রতিনিধি সরজমিনে,যেয়ে দেখতে পায় কয়েকজন রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে এবং তাদের নিকট থেকে টাকা পয়সা নিচ্ছে সাংবাদিক উপস্থিতি টের পেয়ে আয়না কবিরাজ তড়িঘড়ি করে রোগীদেরকে পার করে দেয় এবং অনুনয় বিনিময় করতে থাকে এই মর্মে যে,আপনি আমার এই চিকিৎসার ব্যাপারে কোন সংবাদ করবেন না আমি আপনাকে খুশি করবো। এ প্রতিনিধি উনাকে জানান, আপনার এই চিকিৎসার ব্যাপারে আমার কাছে অনেক অভিযোগ আছে আপনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন ছাড়াই মানুষের মাঝে সকল রোগের চিকিৎসা দিচ্ছেন। মানুষের জটিল জটিল রোগের চিকিৎসার কথা বলে বহু টাকা নেন অথচ কোন কাজ হয় না তাদের পরবর্তীতে তারা অভিযোগ দিলে তাদেরকে জিনের ভয়ভীতি দেখিয়ে পার করে দেন। প্রতিনিধির এমন কথা শুনে আয়না কবিরাজ ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে আপনার নামে চাঁদাবাজির মামলা দেবো যশোর কোটে চাকরি করে ফারুক সে আমার ভাই, ক্যান্টনমেন্টে আমার জামাই চাকরি করে তার নাম জুয়েল তাদেরকে দিয়ে আপনার ব্যবস্থা নেব।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যশোর সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা কে অবহিত করলে তিনি লোকসমাচার কে জানান কবিরাজের চিকিৎসার কোন ভিত্তি নেই। কবিরাজের চিকিৎসা অবশ্যই অপরাধ মূলক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাশাপাশি প্রশাসনকেও এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।





















