লোকসমাচার,স্টাফ রিপোর্টার:যশোর বিরামপুরের একসময়কার ত্রাস পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড সাবেক ক্রসফায়ারের আসামি মাদক সম্রাট অগণিত খুন জখম অপহরণ চুরি ডাকাতি রাহাজানি মামলার আসামি রাতে বাহিনী প্রধান কেরামত গা ঢাকা দিলে বাহিনীর অন্ধকার জগতের কার্যক্রম এখন হাসিবুর রহমান শামীমের কব্জায়।
জানাযায়,গত ১২.৬.২০২৫ ইংরেজি তারিখ আসর নামাজের পরে বিরামপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বারান্দায় বিরামপুরের লিয়াকত হাজির পুত্র হাসিবুর রহমান শামীম জোরপূর্বক মাদ্রাসার সভাপতি হয়ে,মসজিদের সভাপতি মোঃ শামসুজ্জামান শাহিন ও যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাকিম কে চাকু দিয়ে মারার জন্য চড়াও হয় মসজিদের দখল নেয়ার জন্য। আব্দুল হাকিমকে চাকু দিয়ে মারার সময় কোনরকম নিজেকে বাঁচিয়ে নেয় ।
আরও জানাযায়,হাসিবুর রহমান শামীম বর্তমান কেরামত বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। কেরামত একজন কুখ্যাত সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ী কিছুদিন আগেও তার বাড়ি হতে ২৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার হয় আর সে পালিয়ে যায় এছাড়াও সে আন্ডারওয়ার্ল্ড বাহিনী প্রধান সাবেক পুলিশের তালিকাভুক্ত ক্রসফায়ার আসামি,হাসিবুর রহমান শামীম কেরামতের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ার সুবাদে তার অবর্তমানে বর্তমানে তার বাহিনীর পরিচালনায় আছে ।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, এর আগেও শামীম অপরাধ জগতের হোথা ছিল উপশহর বাদশা ফয়সাল স্কুলের একজন শিক্ষক মার্ডার এক নম্বর আসামি ছিল মার্ডার করে, ৬ লাখ টাকা নিয়ে চট্টগ্রাম পলায়ন করে সেখান থেকে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং জেল খাটে,বর্তমান আমাদের অজানা কিভাবে কেমন করে এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি সেজে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যেয়ে সন্ত্রাসী মূলক হুমকি ধামকি দিয়ে চাঁদা আদায় করে যাহার প্রমাণ পাওয়া যায় কিছুদিন আগে যশোর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে চাদা দাবি করে এ সময় স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে চাদা নেওয়া থেকে বঞ্চিত হয় । তার কাছে পুলিশের ববহৃত ৩ টি ওয়াকি টকি সেট আছে যাহা তার বাহিনীর অন্যান্য সদস্যর কাছে দেয়া আছে শামীমের চলাফেরার জন্য একটা জিপ গাড়ি আছে যার কোন কাগজ পত্র নাই এলাকার লোকজন অবাক হয়ে যায় তার চলাফেরার স্টাইল দেখে এবং তার ব্যয় করার স্টাইল দেখে এবং সাধারণ মানুষের ভিতরে কৌতূহল তার এত আয়ের উৎস কি?
এলাকাবাসী জানিয়েছে তার সহ বাহিনির অন্যান্য সদস্যর কাছে সব সময় ছুরি চাকু সহ মারাত্মক ধরনের অস্ত্র থাকে যার কারণে কেউ সাহস পায় না তার বিভিন্ন অপরাধ করা ঠেকাতে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, হাসিবুর রহমান শামীমের পিতা লিয়াকত হাজি একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। ৫ই আগস্ট এর আগে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে লিয়াকত হাজির ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হয়ে যায় অথচ এই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদের পরিচয়ে তাহার পুত্র জাহিদ হাসানের সেনাবাহিনীতে চাকরি হয় বর্তমান গাজীপুর জেলার ডিজিএফআই পদে চাকরিরত আছে। বর্তমান হাসিবুর রহমান শামীম এলাকার একজন ত্রাস তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে গেলে মৃত্যুর হুমকি দেখায়। তার সাথে সর্বদা কেরামত বাহিনীর সদস্যরা ছাড়াও স্থানীয় কিশোর গাংয়ের পোলাপান ওয়াকি টকি সহ অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করে। এলাকাবাসী এ প্রতিনিধির মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে হাসিবুর রহমান শামীম এর বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠ বিচার সম্পন্ন করার জন্য।





















